ট্রেনের ধাক্কায় শীতলক্ষ্যা নদীতে পড়ে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২১,   অগ্রহায়ণ ১৮ ১৪২৮,   ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

নিখোঁজের ৩ দিন পর শীতলক্ষ্যায় ভেসে উঠলো অলির লাশ

পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:১০ ২৬ অক্টোবর ২০২১   আপডেট: ২১:৫৪ ২৬ অক্টোবর ২০২১

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল রেলসেতুতে ছবি তুলতে গিয়ে উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় শীতলক্ষ্যা নদীতে পড়ে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ঘটনার তিন দিন পর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ডাংগা ইউনিয়নের ফুলেশ্বরী এলাকার শীতলক্ষ্যা নদীর মাঝখান থেকে নিখোঁজ যুবক অলি মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। 

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ডাংগা ইউনিয়নের ফুলেশ্বরী বাজার এলাকার শীতলক্ষ্যা নদীর মাঝখান থেকে উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, গত শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মাধবদী থেকে ঘোড়াশাল রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় ঘুরতে আসে শাহজাহান ও অলি মিয়া নামের দুই যুবক। পরে ঘোড়াশাল নতুন রেলসেতুতে ছবি তুলতে গেলে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নোয়াখালীগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় অলি মিয়া শীতলক্ষ্যা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়। পরে তাকে উদ্ধার করার জন্য ঘটনাস্থল ও তার আশে পাশের স্থানে শনিবার ও রবিবার পলাশ ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের ডুবরি দল এবং নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে লাশের সন্ধান দিতে পারেনি। এছাড়া নিখোঁজ যুবকের পরিবারের সদস্যরাও নদীতে খোঁজাখুঁজি করে কিন্তু তাকে খুঁজে পায়নি।

মঙ্গলবার ডাংগা ইউপির ফুলেশ্বরী বাজার এলাকার শীতলক্ষ্যা নদীর মাঝখান থেকে নিখোঁজ যুবকের লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। পরে তারা নিখোঁজ যুবকের স্বজনদের লাশ দেখার খবর দেন। এ খবর পেয়ে স্বজনরা লাশ শনাক্ত করে ও নদী থেকে উদ্ধার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিখোঁজ অলির চাচা ফজলুর রহমান। 

তিনি জানান, শীতলক্ষ্যা নদীতে তিনদিন ধরে অনেক খোঁজাখুঁজি করার পরও যখন তার খোঁজ পাচ্ছিলাম না তখন ঘটনাস্থলের আশে পাশের লোকজনকে আমার মোবাইল নম্বর দিয়ে রেখেছিলাম। আজ নদীতে লাশ ভাসতে দেখে তারা আমাকে খবর দেন। পরে আমরা এসে অলির মিয়ার লাশ শনাক্ত করি।

নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই ইমায়েদুল জাহেদী জানান, নিখোঁজ যুবকের লাশ পাওয়া গেছে এবং এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে