দুগ্ধকালীন মায়ের ভাতা পাচ্ছেন দশম শ্রেণির ছাত্রীর মা

ঢাকা, শনিবার   ০৪ ডিসেম্বর ২০২১,   অগ্রহায়ণ ২০ ১৪২৮,   ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৩

দুগ্ধকালীন মায়ের ভাতা পাচ্ছেন দশম শ্রেণির ছাত্রীর মা

বরগুনা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:২৭ ২৫ অক্টোবর ২০২১   আপডেট: ১৭:২৯ ২৫ অক্টোবর ২০২১

বরগুনা মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের উপ-পরিচালকের কার্যালয়

বরগুনা মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের উপ-পরিচালকের কার্যালয়

বরগুনায় সরকারের ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ভাতা পাচ্ছেন ১০৫০ জন মা। সম্প্রতি এ কর্মসূচিতে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম অনুযায়ী কর্মজীবী সন্তানসম্ভবা ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের এ তালিকায় নাম রয়েছে দশম শ্রেণির ছাত্রীর মায়েরও।

এছাড়া ঘুষ নিয়ে এ তালিকা করার অভিযোগ উঠেছে জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের অফিস সহকারী নাজমুল হাসান ও উপ-পরিচালক মেহেরুন্নেছা মুন্নির বিরুদ্ধে।

বাছাই কমিটির দেওয়া তালিকাতেও অনিয়মতান্ত্রিকভাবে নাম অন্তর্ভুক্তের অভিযোগ এক সদস্যের। যদিও এ বিষয়ে দায়সারা জবাব অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তার।

উপকারভোগী বাছাই কমিটির সদস্য আব্দুল মোতালেব মৃধা বলেন, এখানে যতবার ল্যাকটেটিং মাদার বাছাই হয়েছে প্রতিটির সদস্য ছিলাম আমি। উপ-পরিচালক মেরুন্নেছা মুন্নির বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয় থেকে দুইবার অভিযোগ উঠেছে। আমরা মানবিক কারণে তাকে ক্ষমা করছি। তবে এখন যে পরিস্থিতি সেটার সঠিক তদন্ত প্রয়োজন।

অফিস সহকারী মো. নাজমুল হাসান বলেন, একজন নারী যে কাজ করবে সে ভাতাই পাবে। যে মেয়ে আমার নামে অভিযোগ দিয়েছে তার সঙ্গে আমার কোনো পরিচয়ই ছিল না।

জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের উপ-পরিচালক মেরুন্নেছা মুন্নি বলেন, ডিসি অফিসে একটি মেয়ে দরখাস্ত দেওয়ার পর আমি জানতে পেরেছি যে আমাদের অফিস সহকারী তার কাছ থেকে টাকা চেয়েছে। তবে আমার অফিস সহকারীর এমনটা করার কোনো সুযোগই নেই, কারণ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে সশরীরে বাছাই হয়েছে।

ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বরগুনা জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে এবং আমরা আমাদের সহকারী কমিশনারকে এ বিষয়ে তদন্ত করার দায়িত্ব দিয়েছি। তদন্তে অনিয়মের বিষয়টি প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর