এক্সরে রুমে তালা, নষ্ট হচ্ছে যন্ত্র

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৯ অক্টোবর ২০২১,   কার্তিক ৪ ১৪২৮,   ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

এক্সরে রুমে তালা, নষ্ট হচ্ছে যন্ত্র

এম.আর সুমন, রায়পুর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৪৩ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১  

নষ্ট হচ্ছে এক্সরে মেশিন

নষ্ট হচ্ছে এক্সরে মেশিন

প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্সরে টেকনিশিয়ান নেই। ফলে নষ্ট হচ্ছে নতুন ডিজিটাল এক্সরে মেশিনটি।

২০২০ সালের ডিসেম্বরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন একটি ডিজিটাল এক্সরে মেশিন বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু নয় মাস ধরে বাক্সবন্দি দশা থেকে মুক্ত হলেও একবারের জন্যও মেশিনটি ব্যবহার করেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালে এক্সরে সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় প্রতিদিন শত শত রোগী বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। বাধ্য হয়ে অধিক মূল্যে বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে এক্সরে করাতে হচ্ছে।

জানা গেছে, পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়নের মানুষের চিকিৎসার ভরসা রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ৩১ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর চিকিৎসা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। ২০০৭ সালের জুন মাসে হাসপাতালে নতুন একটি আধুনিক এক্সরে মেশিন দেওয়া হয়। কিন্তু টেকনিশিয়ান না থাকায় মেশিনটি আর ব্যবহৃত হয়নি। ফলে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় গত বছরের ডিসেম্বরে ফের আরো একটি ডিজিটাল এক্সরে মেশিন দেওয়া হয়। কিন্তু ৯ মাস পার হয়ে গেলেও এখনো মেশিনে হাত লাগাননি সংশ্লিষ্টরা।

এক্সরে রুমে তালা

উপজেলার বামনী ইউনিয়নের মুনছুর আহমেদ বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাতের সমস্যা নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা দ্রুত এক্সরে করতে বলেন। হাসপাতালের এক্সরে মেশিন বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে করানো হয়। এতে খরচ হয় ৪০০ টাকা। অথচ হাসপাতালের এক্সরে মেশিন দিয়ে করালে মাত্র ৫৫ টাকা খরচ হতো।

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. বাহারুল আলম বলেন, এক্সরে টেকনিশিয়ান না থাকায় রোগীদের সেবা দেওয়া যাচ্ছে না। শূন্যপদটি পূরণের জন্য এক যুগ ধরেই স্বাস্থ্য অধিদফতরে প্রতিবেদন পাঠানো হয়। এরপরও কোনো লাভ হচ্ছে না। টেকনিশিয়ান না থাকায় আগের মেশিনটিও নষ্ট হয়ে গেছে। নতুন মেশিনটি বসালেও রোগ নির্ণয়ের কাজে এখনো লাগেনি। মেশিনটি চালু হলে এ উপজেলার মানুষ স্বল্প খরচে এক্সরে করাতে পারতেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর