বিয়ের ১৫ মাস পর ৯৯৯-এ ফোন করে কাবিননামা পেলেন গৃহবধূ 

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৯ অক্টোবর ২০২১,   কার্তিক ৫ ১৪২৮,   ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

বিয়ের ১৫ মাস পর ৯৯৯-এ ফোন করে কাবিননামা পেলেন গৃহবধূ 

পিরোজপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:০৮ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় শেখমাটিয়া গ্রামে কাবিননামা ছাড়া বিয়ে করে যৌতুকের দাবিতে খালেদা আক্তার নামের এক গৃহবধূকে নির্যাতন ও সাদা স্ট্যাম্পে সই নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে ভুক্তভোগী গৃহবধূর ভাই রবিউল ইসলাম ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে অভিযোগ করলে পুলিশের সহায়তায় বিয়ের নিবন্ধন সম্পন্ন করে কাবিননামা হাতে পান।

জানা যায়, ২০২০ সালের ৩ জুন বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার সমনকাঠী গ্রামের মাহাতাব শেখের মেয়ে খালেদা আক্তারের সঙ্গে নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া গ্রামের মোতালেব মোল্লার ছেলে রনি মোল্লার বিয়ে হয়।

বিয়ের পর থেকে রনি মোল্লা ও তার পরিবার যৌতুক হিসেবে মোটরসাইকেলসহ ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র দাবি করে যৌতুকের জন্য খালেদা আক্তারকে নির্যাতন করতে থাকেন। খালেদা আক্তার কয়েকদিন আগে বাবার বাড়ি চলে এলে অসুস্থতার অজুহাতে শাশুড়ি তাকে আবার ফিরিয়ে নিয়ে গিয়ে তার ওপর নির্যাতন করতে থাকে এবং সাদা স্ট্যাম্পে সই করিয়ে ঘরে আটকে রাখেন।

খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে খালেদা আক্তারের বাবা মাহাতাব শেখ ও দুই ভাই রনি মোল্লার বাড়িতে গিয়ে তারা খালেদাকে আটকে রাখা অবস্থায় পান। এ সময় দুই পক্ষের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে রনি মোল্লা তার শ্বশুর ও দুই শ্যালককে মারধর এবং বিয়ের কাবিনের কথা অস্বীকার করেন।

নাজিরপুর থানার ওসি আশরাফুজ্জামান জানান, খালেদার ভাই রবিউল ইসলাম ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে ঘটনাটি জানালে শুক্রবার দুপুরে ভুক্তভোগীর পরিবার ও তার স্বামী রনি মোল্লাকে নাজিরপুরে এনে বিয়ের নিবন্ধন সম্পন্ন করে কাবিননামা দেওয়া হয়।

অভিযুক্ত রনি মোল্লা যৌতুক দাবি ও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘খালেদা আক্তার স্বেচ্ছায় সাদা স্ট্যাম্পে সই দিয়েছেন।’

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে