স্বাক্ষর জালিয়াতির মামলায় ১০ জন জেল হাজতে

ঢাকা, বুধবার   ২৭ অক্টোবর ২০২১,   কার্তিক ১২ ১৪২৮,   ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

স্বাক্ষর জালিয়াতির মামলায় ১০ জন জেল হাজতে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৪৫ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১   আপডেট: ১৯:১৮ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

এপিপি মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগমসহ ১০ জনের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে জেলা হাজতে প্রেরণ করেছে আদালত।

এপিপি মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগমসহ ১০ জনের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে জেলা হাজতে প্রেরণ করেছে আদালত।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ধরমা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জন্য উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তার স্বাক্ষর জালিয়াতির মামলায় এপিপি মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগমসহ ১০ জনের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে জেলা হাজতে প্রেরণ করেছে আদালত। 

বুধবার দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পার্থ ভদ্র এই আদেশ প্রদান করেন। আটকরা আদালতে জামিনের আবেদন করলে তাদের জামিন নামঞ্জুর করা হয়। 

জানা যায়, চৌকি আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মিজানুর রহমান, তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম, মোহাম্মদ আলী সরকার, মোখলেছুর রহমান, মন্নু মিয়া, মুনমুন বেগম, নিজাম উদ্দিন, দোলেনা বেগম, নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথ, তোজাম্মেল হক বুধবার দুপুরে আদালতে জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়।

জানা গেছে, ২০১৯ সালে উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল করে অবৈধভাবে ধরমা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে মনোয়ারা বেগমকে নিয়োগের জন্য তারা সহায়তা করে। এ ঘটনায় উপজেলার সিংগা গ্রামের মৃত শামছুল রহমানের ছেলে খাইরুল বারী অভিযোগ করেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে গাইবান্ধার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেমন (পিবিআই) এর উপপরিদর্শক শাহ্ আলম দীর্ঘ তদন্ত শেষে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা পরিতোষ শর্মাকে ধরমা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের প্রিজাইটিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন ইউএনও। তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মনোয়ারা বেগমের অসহযোগিতায় কারণে তিনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন। পরে তার স্বাক্ষর জাল করা হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে