নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ দিলেন এসপি

ঢাকা, বুধবার   ২৭ অক্টোবর ২০২১,   কার্তিক ১৩ ১৪২৮,   ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ দিলেন এসপি

ফরিদপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:২০ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১  

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নে মধুমতি নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত তিন শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছে জেলা পুলিশ বিভাগ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নে মধুমতি নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত তিন শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছে জেলা পুলিশ বিভাগ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নে মধুমতি নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত তিন শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছে জেলা পুলিশ বিভাগ।

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আলিমুজ্জামান শনিবার বেলা ১১টার দিকে পোপালপুর ইউনিয়নের বাজড়া চর আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে এসব ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন।

এ সময় আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান একেএম জাহিদুল হাসান জাহিদ, সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালি সার্কেল) সুমন কর, আলফাডাঙ্গা থানার ওসি মো. ওয়াহিদুজ্জামান, গোপালপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নূরী বেগম, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মোনায়েম খান, সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদউদ্দিন, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক হেমায়েত হোসেন তালুকদারসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় পুলিশ সুপার আলিমুজ্জামান বলেন, নদী ভাঙনে শিকার  নিঃস্ব পরিবারগুলোর ক্ষতি পুষিয়ে ওঠা সময়সাপেক্ষ এবং কষ্টকর। বিষয়টি বিবেচনা করে ফরিদপুরের পুলিশ বিভাগ তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নদী পথ ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের বিভিন্ন বিভাগকে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আশা করা যায় নদী ভাঙ্ন সম্পূর্ণরূপে রোধ করা সম্ভব হবে।

এ সময় পুলিশ সুপার আলিমুজ্জামান সরেজমিনে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং পাউবোর অস্থায়ী ভিত্তিতে ভাঙনরোধে গৃহিত কাজের মান তদারকি করেন।

পাউবোর নির্বাহী প্রকোশলী পার্থ প্রতিম সাহা জানান, চলতি বর্ষা মৌসুমে এক মাস আগে থেকে মধুমতি নদীতে ভাঙন শুরু হয়। পনের দিন আগে থেকে বালিভর্তি জিওব্যাগ ফেলে ভাঙনরোধে অস্থায়ী ভিত্তিতে কাজ চলছে। গত পাঁচ বছর ধরে এ ভাঙন চলছে। স্থায়ীবাঁধ নির্মাণ করে ভাঙনরোধের জন্য পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রকল্প পাঠানো হয়েছে অনুমোদনের জন্য।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ