একটু বৃষ্টিতেই রাস্তা হয় খাল

ঢাকা, শুক্রবার   ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ২ ১৪২৮,   ০৮ সফর ১৪৪৩

একটু বৃষ্টিতেই রাস্তা হয় খাল

যশোর প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:২৫ ২ আগস্ট ২০২১  

রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে না পারায় বিকল্প হিসেবে ঘেরের পাড় বেছে নিয়েছেন পথচারীরা

রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে না পারায় বিকল্প হিসেবে ঘেরের পাড় বেছে নিয়েছেন পথচারীরা

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার দূর্বাডাঙা ইউনিয়নের খাল বাটবিলা গ্রামের সঙ্গে কেশবপুরের গড়ভাঙা গ্রামকে যুক্ত করেছে একটি রাস্তা। দুই উপজেলার মানুষের যোগাযোগের সংক্ষিপ্ত পথ এটি। আড়াই কিলোমিটার রাস্তাটি সংস্কার হয়নি গত ২০ বছরে। শুকনো মৌসুমে কোনোরকম  চলাচল করা গেলেও বিপত্তি ঘটে বর্ষাকালে। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তাটিতে হাঁটু পানি জমে। রাস্তার দুই ধারের ঘেরের পাড় উঁচু হওয়ায় পানি সরতে না পেরে সৃষ্ট হয় এই জলাবদ্ধতা। রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে না পারায় বিকল্প হিসেবে ঘেরের পাড় বেছে নিয়েছেন পথচারীরা।

জানা গেছে, বহু বছর ধরে ব্যক্তি মালিকানা জমির ওপর দিয়ে হেঁটে যাতায়াত করতেন খাল বাটবিলা ও গড়ভাঙাসহ আশপাশের গ্রামের মানুষ। একপর্যায়ে চলাচলের পথটি ১৯৯০ সালে রাস্তা হিসেবে রেকর্ড হয়। এরপর ২০০০ সালের দিকে ইটের সলিং বিছিয়ে রাস্তা তৈরি হয় । পরে রাস্তার দুই পাশে তৈরি হয় বড় বড় মাছের ঘের। মাছ রক্ষা করতে গিয়ে ঘেরের পাড় উঁচু করায় এখন রাস্তাটি খালে পরিণত হয়েছে। রাস্তাটির এক কিলোমিটার মনিরামপুরের মধ্যে। বাকিটা কেশবপুর উপজেলার।

খাল বাটবিলা গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, প্রথমদিকে বিলের সমান ছিল রাস্তাটি। ১৮-২০ বছর আগে রাস্তা উঁচু না করে সলিং বিছানো হয়। পরের বছর বৃষ্টিতে রাস্তা তলিয়ে ইট ভেসে গেছে।

তারা আরো বলেন, হরিনার খাল দিয়ে বিলের পানি বের হয়ে কেশবপুরের শ্রী নদীতে পড়ত। এখন নদীতে নাব্য না থাকায় খাল দিয়ে পানি সরছে না। বিলের পানি আটকা থাকছে। তাই ঘের মালিকরা মাছ রক্ষায় উঁচু করে পাড় বেধেছেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মাসুদুর রহমান মিন্টু বলেন, রাস্তা রক্ষার জন্য ঘের মালিকদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। পেপার পত্রিকায় লেখালিখি করাইছি। কিন্তু অবস্থার পরিবর্তন হয়নি।

দূর্বাডাঙা ইউপি চেয়ারম্যান গাজী মাজহারুল বলেন, ২০ বছর আগে রাস্তাটি সলিং করা হয়েছে। তারপর আর কাজ হয়নি। কিছুদিন আগে মাপামাপি হয়েছে। আশা করি দ্রুত কাজ শুরু হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ