বগুড়ায় আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ১৩ ১৪২৮,   ১৯ সফর ১৪৪৩

বগুড়ায় আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

বগুড়া প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২৩:০৮ ২৭ জুলাই ২০২১   আপডেট: ০১:০৬ ২৮ জুলাই ২০২১

নিহত মমিনুর ইসলাম রকি

নিহত মমিনুর ইসলাম রকি

বগুড়ায় মমিনুল ইসলাম রকি নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার রাত সোয়া ৯টার দিকে বগুড়া সদর উপজেলার ফাঁপোড় ইউনিয়নের ফাঁপোড় হাটখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মমিনুল হক রকি ফাঁপোড় মণ্ডলপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে এবং ফাঁপোড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। এছাড়াও তিনি আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ফাঁপোড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রকি এলাকায় বসবাস করতেন না। তিনি বগুড়া শহরের উপশহর এলাকায় থাকতেন। তবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি প্রায়ই এলাকায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতেন। মঙ্গলবার রাত সোয়া ৯টার দিকে তিনি ফাঁপোড় হাটখোলা মাঠে লোকজনের সঙ্গে গল্প করছিলেন। এ সময় একদল দুর্বৃত্ত তাকে ঘিরে ফেলে। তার সহযোগীরা পালিয়ে গেলে দুর্বৃত্তরা রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়। সেখানে চিকৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফাঁপোড় উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি পদ নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল হক ঠান্ডুর সঙ্গে রকির বিরোধ ছিল। রেজাউল হক ঠান্ডু শিক্ষকতার পাশাপাশি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে আছেন। তিনি নিজেও এবার ফাঁপোড় ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করেছেন। 

রকি এরআগে ফাঁপোড় উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ছিলেন। সেই সময় থেকেই প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে তার বিরোধ শুরু হয়। কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে প্রধান শিক্ষক রকির নাম বাদ দিয়ে নতুন কমিটির প্রস্তাব শিক্ষা বোর্ডে পাঠিয়েছিলেন। রকির অভিযোগের প্রেক্ষিতে সেই কমিটি অনুমোদন পায়নি।

এদিকে, হত্যাকাণ্ডের পরপরই এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। 

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফয়সাল মাহমুদ বলেন, হাটখোলা মাঠে একটি দোকানে বসেছিলেন রকি। এ সময় তাকে দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে পালিয়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে মৌখিক অভিযোগে আমরা কয়েকজনের নামে জানতে পেরেছি। তাদের ধরতে অভিযান শুরু করেছি। 

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম