কার্যক্রম নেই, সরকারের বিরুদ্ধাচরণই বিএনপির কাজ

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৭ জুলাই ২০২১,   শ্রাবণ ১২ ১৪২৮,   ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

কার্যক্রম নেই, সরকারের বিরুদ্ধাচরণই বিএনপির কাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:৪১ ২১ জুলাই ২০২১   আপডেট: ১৫:১২ ২১ জুলাই ২০২১

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সাংগঠনিক কার্যক্রম নেই, আছে শুধু একটাই কাজ। সরকারের বিরুদ্ধাচরণ করা। তাই হোক সেটা দুর্যোগকালীন কিংবা স্বাভাবিক সময়। এরই ধারাবাহিকতায় বিএনপি নেতারা করোনা পরিস্থিতি নিয়েও কবুতরের মতো বাকবাকুম করছে। মিথ্যাচার করে বলছে, সরকার করোনায় মানুষের জন্য কিছুই করেনি। 

তবে প্রকৃত সত্য হলো, দেশে করোনা সংক্রমণের শুরু থেকেই জনমানুষের সুরক্ষায় বিরামহীনভাবে কাজ করছে সরকার। এমনকি বিশ্বের অনেক দেশ যখন টিকার দেখা পায়নি, তখন বিনামূল্যে গণটিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করছে। মূলত এসব দেখেই বিএনপির গাত্রদাহ এখন তুঙ্গে।

নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যমতে, করোনার এ সংকটময় পরিস্থিতিতে সামান্য সময়ের জন্যেও জনমানুষের সেবায় নিযুক্ত হতে দেখা যায়নি বিএনপি নেতাদের, যেখানে সরকার ও তার জনপ্রতিনিধিরা দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন জনগণের জীবন ও জীবিকার সুরক্ষায়। তবে মানুষের পাশে না থাকলেও দলটির নেতাকর্মীরা করোনা দুর্গতদের সাহায্যের কথা বলে ঠিকই দেশি-বিদেশি দাতাদের থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অংকের অর্থ। মানুষকে না দিয়ে ভাগ-বাটোয়ারা করে নিচ্ছেন নিজেদের মধ্যে। আর ঘরে বসে উচ্চবাচ্য করে বলছেন, এ সময়ে মানুষের জন্য কী করেছে সরকার?

এক অনুসন্ধানে জানা গেছে, সরকারি প্রচেষ্টায় দেশে করোনার ভ্যাকসিন আসার শুরু থেকেই সমালোচনা করে বিএনপি নেতারা বলছিলেন, তারা ভ্যাকসিন নেবেন না। এমনকি ভ্যাকসিন নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে মিথ্যাচার পর্যন্তও করেন তারা। কিন্তু সেসবে কাজ দেয়নি। সরকারের প্রতি আস্থা রেখে সবাই টিকা গ্রহণ শুরু করেন। সেই জোয়ারে তারেক রহমানের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিএনপি নেতারাও টিকা নেন। যার সূত্র ধরে পরবর্তীতে তারেকের শাশুড়ি টিকা নেন। তার দেখাদেখি ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুলের পীড়াপীড়িতে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াও সেই টিকা নিয়েছেন।

মানুষের কাছে বিএনপির গ্রহণযোগ্যতা শূন্যের কোঠায় বলে দলের নেতাদের মাথার ঠিক নেই উল্লেখ করে দেশের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বিএনপি নেতারা নিজেদের দোষ-ত্রুটি ঢাকতে সরকারের বিরুদ্ধে যাচ্ছেতাই বলছেন, যার সিকিভাগেরও সত্যতা নেই। শুধু গায়ের জোরে গুজব সেলের পেইড এজেন্টদের দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টিতেই তারা এ ন্যক্কারজনক কাজগুলো করছেন। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় বুলি আওড়াচ্ছেন।

জনগণ বোকা নয়, প্রকৃত সত্য জানে মন্তব্য করে রাজনৈতিক বিজ্ঞজনরা আরো বলেন, মানুষ এখন আর বোকা নেই। তারা জানে কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা, কোনটা ভালো আর কোনটা মন্দ। তাইতো নিঃসংকোচে মানুষ সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএএম/জেডআর/এইচএন