যে নারীর খরগোশ জন্ম দেওয়ার খবরে হতভম্ব বিজ্ঞানীরাও

ঢাকা, বুধবার   ২৮ জুলাই ২০২১,   শ্রাবণ ১৩ ১৪২৮,   ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

যে নারীর খরগোশ জন্ম দেওয়ার খবরে হতভম্ব বিজ্ঞানীরাও

সাতরঙ ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:৫০ ২০ জুলাই ২০২১   আপডেট: ২২:১১ ২০ জুলাই ২০২১

যে নারীর খরগোশ জন্ম দেওয়ার খবরে হতভম্ব বিজ্ঞানীরাও। ছবি; সংগৃহীত

যে নারীর খরগোশ জন্ম দেওয়ার খবরে হতভম্ব বিজ্ঞানীরাও। ছবি; সংগৃহীত

প্রজনন হলো একটি স্বাভাবিক জৈব প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে মাতৃজীব থেকে নতুন স্বতন্ত্র জীব সৃষ্টি হয়। প্রজনন প্রক্রিয়া সব জীবেরই একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে গণ্য হয়। প্রজনন প্রক্রিয়ায় মাতৃজীব থেকে স্বজাতীয় নতুন জীবের জন্ম হবে এটাই স্বাভাবিক। অনেক সময় প্রাণীদের উন্নত জাত সৃষ্টির লক্ষ্যে সংকরায়নের মাধ্যমে নতুন বৈশিষ্ট্যের প্রাণীর জন্ম হয়। তবে মানুষের পেটে অন্য প্রাণীর জন্মের খবর সবাইকেই হতভম্ব করবে। এক নারীর খরগোশের বাচ্চা জন্ম দেওয়ার খবর উৎসুক জনতার মধ্যে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করে।

এই অসম্ভব ঘটনাটি ঘটেছিল ব্রিটেনে। এটি ১৭২৬ সালের ঘটনা। সারের গোডালমিংয়ের মেরি টফট নামের এক ইংরেজ মহিলা খরগোশের বাচ্চা জন্ম দেওয়ার দাবি করেছিলেন। সে সময়ের ইংরেজ সমাজের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়ে পরিণত হয়েছিল এটি। মেরি টফট লন্ডনের সেরা বিজ্ঞানী, ডাক্তার এমনকি কিং জর্জকেও বিশ্বাস করাতে সক্ষম হয়েছিলেন যে, তিনি খরগোশের বাচ্চা জন্ম দিয়েছেন। 

সে সময় এই সংবাদ ব্রিটিশদের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল। মেরি টফটও সবার মনোযোগ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার পর পর বেশ কয়েকটি খরগোশের বাচ্চা জন্ম দেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু এই রহস্যময় ঘটনার পেছনে আসল ঘটনা কি ছিল তা নিয়ে পরবর্তী সময় করা হয় বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষা।

মেরি টফটের প্রাথমিক জীবন

মেরি টফট জন্মগ্রহণ করেন ১৭০১ সালে। তিনি জেন ডেনিয়ার এবং জন ডেনিয়ারের কন্যা। বাবা-মার সঙ্গে দরিদ্রতার মধ্যে বেড়ে ওঠেন। জোশুয়া টফট নামের এক যুবকের সঙ্গে ১৭২০ সালে বিয়ে হয় তার। জোশুয়া টফট বিভিন্ন জায়গায় ফেরি করে জামা-কাপড় বিক্রি করতেন। বিয়ের পর এ দম্পতি গোডালমিংয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছিলেন। একে একে তাদের অ্যানি, মেরি ও জেমস নামের তিন সন্তানের জন্ম হয়।

মেরি টফট ১৭২৬ সালে চতুর্থবার গর্ভবতী হয়েছিলেন। কিন্তু সে বছরের আগস্টেই তার গর্ভপাত হয়। যাইহোক, এই গর্ভপাত হওয়া সত্ত্বেও, মেরি গর্ভবতী বলেই আশেপাশের সবাই জানতেন। সে অনুযায়ী, ১৭২৬ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর মেরি বাচ্চা প্রসব করেছিলেন।

পশুর বাচ্চার জন্মের খবর

মেরি টফটের প্রসবের সময় তার শাশুড়ি অ্যান টফট ও প্রতিবেশী মেরি গিল উপস্থিত ছিলেন। তারা বলেন, মেরি আশ্চর্যরকম কিছু জন্ম দিয়েছে, যা দেখতে প্রাণহীন বিড়াল বলে মনে হয়েছিল। এরপর মেরির পরিবারের সদস্যরা দ্রুত নিকটবর্তী গিল্ডফোর্ডের প্রখ্যাত চিকিৎসক জন হাওয়ার্ডের সাহায্য চেয়েছিল। জন হাওয়ার্ড প্রথমে এ ঘটনা শুনে বিশ্বাসও করেননি এবং এটিকে গুরুত্বও দেননি।

তারপরও এ ঘটনার পরের দিন, জন হাওয়ার্ড মেরি টফটকে দেখতে গিয়েছিলেন। তাকে একটি পশু দেখিয়ে বলা হয়েছিল এটি মেরি আগের রাতে প্রসব করেছে। এসব দেখে জন হাওয়ার্ড বেশ অবাক হন এবং ঘটনাটি একেবারে অবিশ্বাসও করতে পারেননি। এমনকি এর পরেরদিন জন নিজেই আরেকটি পশু প্রসবে মেরিকে সহায়তা করেছিলের। পরের মাসে, মেরি নয়টি মৃত খরগোশের বাচ্চা জন্ম দিয়েছিলেন।

এ অসম্ভব ঘটনার খবর দ্রুত লন্ডনে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। জন হাওয়ার্ড ইংল্যান্ডের খ্যাতনামা বিজ্ঞানী ও ডাক্তারদের পাশাপাশি রাজার সচিবকেও চিঠি দিয়ে ঘটনাটি জানিয়েছিলেন। এরপর এ ঘটনার রহস্য উদঘাটনের জন্য তদন্ত শুরু হয়।  

প্রাথমিক তদন্ত

মেরি টফটের খরগোশের বাচ্চা প্রসবের সংবাদটি রাজাকে বেশ কৌতূহলী করে তুলেছিল। তিনি এই ঘটনার তদন্তের জন্য দু'জনকে প্রেরণ করেছিলেন। তারা হলেন- সুইস সার্জন-অ্যানাটমিস্ট ন্যাথানিয়েল সেন্ট আন্দ্রে এবং ওয়েলসের প্রিন্সের সেক্রেটারি স্যামুয়েল মলিনিক্স।

এ খবরের দ্রুত প্রসার মেরিকে স্থানীয় সেলিব্রেটি করে তুলেছিল। সুতরাং জন হাওয়ার্ডের কাছে নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য তাকে গোডালমিং থেকে গিল্ডফোর্ডে নিয়ে রাখা হয়েছিল। ১৭২৬ সালের ১৫ নভেম্বর মলিনিক্স এবং আন্দ্রে জন হাওয়ার্ডের গিল্ডফোর্ডের বাড়িতে উপস্থিত হন। সেখানে পৌঁছে তারা জানতে পারেন যে, মেরি তার পঞ্চদশ খরগোশের জন্ম দিয়েছে। এমনকি মেরি তাদের উপস্থিততেও আরো মৃত খরগোশ প্রসব করেছিলেন।

ডাক্তার বাচ্চা খরগোশের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর একটি মেডিকেল পরীক্ষা করেছিলেন। ফলাফলগুলো দেখায় যে মেরি টফটের গর্ভে খরগোশগুলোর বিকাশ ঘটেনি। সেন্ট আন্দ্রে মেরির পেট পরীক্ষা করেছিলেন এবং উপসংহারে এসেছিলেন যে খরগোশগুলো তার ফ্যালোপিয়ান টিউবে তৈরি হয়েছিল। তিনি মেরির ঘটনাটিকে সত্য হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন এবং খরগোশের নমুনাগুলো লন্ডনে ফিরে গিয়ে কিং ও প্রিন্স অব ওয়েলসের কাছে উপস্থাপন করার জন্য নিয়েছিলেন।

তদন্তের পরবর্তী পর্যায়

তদন্ত এখানেই শেষ হয়নি। সংবাদটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে কিং গিলফোর্ডে এ ঘটনার আরো তদন্তের জন্য কিংয়ের আরেক বন্ধু মি. ব্র্যান্ডের সঙ্গে সাইরিয়াকস অহলার্স নামে একজন জার্মান সার্জনকে পাঠিয়েছিলেন। অহলার্স বেশ কয়েকটি খরগোশের জন্ম প্রত্যক্ষ করে মেরির মেডিকেল পরীক্ষা করান। তবে, তিনি সেন্ট আন্দ্রের মতো ভাবতে পারেননি।

যখন লন্ডনে খরগোশের অংশগুলো পরীক্ষা করেছিলেন, তখন তিনি একটি খরগোশের মলে খড়, ভুট্টা এবং খড়ের সন্ধান পেয়েছিলেন। মেরির অভ্যন্তরে যে খরগোশগুলো বিকশিত হয়নি তার এটি দৃঢ় প্রমাণের একটি ছিল। এর ফলে, অহলার্স ১৭২৬ সালের ২১ শে নভেম্বর কিংকে জানান যে, এ ঘটনার সত্যতা নিয়ে তার সন্দেহ আছে।

স্যার রিচার্ড ম্যানিংহাম ছিলেন একজন বিখ্যাত ডাক্তার ও মিডওয়াইফ। তিনি মেরি টফটের বিষয়ে জানতে সেন্ট আন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। তিনি মেরির খরগোশের বাচ্চাদের জন্ম দেওয়ার ঘটনা পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। তিনিও এ ঘটনা বিশ্বাস করেননি। তবে সেন্ট আন্দ্রে এবং হাওয়ার্ড তাকে বুঝিয়েছিলেন যে তারা প্রতারণার কোনো প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত তার যেন সন্দেহ প্রকাশ না করে। এতে মনে হয়েছিল, সেন্ট আন্দ্রে এবং হাওয়ার্ড তাদের খ্যাতি বাঁচাতে চেষ্টা করেছেন।

মেরির ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা

খরগোশের বাচ্চা জন্ম দেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কয়েক সপ্তাহের মধ্যে, মেরি টফটের জনপ্রিয়তা দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছিল। অস্বাভাবিক এ ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে মেরি ব্যাখ্যা করেছিলেন যে, তিনি মাঠে কাজ করার সময় একটি খরগোশ তাকে চমকে দিয়েছিল।

মেরি দাবি করেছিলেন একটি খরগোশ তাকে চমকে দিয়েছিল, যা পরে স্বপ্নে দেখা দেয়। ছবি; ছবি; সংগৃহীত

তিনি এবং অন্য এক মহিলা খরগোশটি ধরার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এরপর অন্য একটি খরগোশও ধরতে ব্যর্থ হন। সেদিন রাতে মেরি টফট একটি স্বপ্ন দেখেছিলেন। স্বপ্নে তিনি দেখেন যে, সে একটি মাঠে রয়েছে এবং তার কোলে উভয় খরগোশ রয়েছে। এরপর হঠাৎ তার স্বপ্ন ভেঙে যায়। সেই সময় থেকে, মেরির খরগোশ খাওয়ার ইচ্ছা জাগে। তবে, দরিদ্র হওয়ায় কিনতে পারেননি।

পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা

১৭২৬ সালের ২৯ শে নভেম্বর মেরি টফটকে লন্ডনের লিসেস্টার ফিল্ডসের লাসেস বাথহাউসে বাথহাউসে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে সেন্ট আন্দ্রের তত্ত্বাবধানে মেরিকে কয়েকজন বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন দ্বারা পরীক্ষা করা হয়েছিল। জন মাউব্রে ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি ছিলেন গাইনি বিশেষজ্ঞ। জন মাউব্রে মত প্রকাশ করেছিলেন যে, মহিলারা সুতেরকিন (sooterkin) নামক প্রাণীদের জন্ম দিতে পারে।

যাকে তিনি ‘মাতৃত্বের ছাপ’ বলেছিলেন। যার প্রবক্তা ছিলেন তিনি। মাউব্রে বিশ্বাস করতেন যে, মা যা দেখেন বা তার ধারণা গর্ভাবস্থায় একটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে। ফলে জন মাউব্রে মেরির ঘটনা বেশ উৎসাহের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।

জেমস ডগলাস একজন স্বনামধন্য মিডওয়াইফ এবং অ্যানাটমিস্ট ছিলেন। মেরি টফটের ঘটনা পর্যবেক্ষণ করার জন্য সেন্ট আন্দ্রে তাকে আমন্ত্রণ করেছিলেন। সেন্ট আন্দ্রে আশা করেছিলেন যে, ডগলাস মেরি টফটের ঘটনা সত্য হিসেবে মেনে নিবেন। তবে ডগলাস পুরোপুরি নিশ্চিত হয়েছিলেন পুরো বিষয়টি প্রতারণা ছিল। বাথহাউসে জড়ো হওয়া বেশিরভাগ ডাক্তারদের মধ্যে একই ধারণা ছিল। তবে কেউ কেউ মনে করেছিলেন।

সত্য প্রকাশ

হঠাৎ মেরির খরগোশ জন্ম দেওয়া বন্ধ হলে বিষয়টির ভিন্ন মোড় নেয়। এরপর বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ নিশ্চিত হয়ে যান ঘটনাটি মিথ্যা। এরমধ্যে স্থানীয় একজন রাজনীতিবিদ ও ভূস্বামী জানতে পেরেছিলেন যে, মেরির স্বামী জোশুয়া এক মাস ধরে অল্প বয়স্ক খরগোশ কিনছিলেন। এ ঘটনা তিনি তিনি স্যার হান্স স্লোয়েন নামে একজন চিকিৎসককে চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন। এরপর প্রথমে মেরির ভগ্নীপতি মার্গারেট টফট এ ঘটনা মিথ্যা বলে প্রথম শিকার করেছিলেন। মেরিকে প্রথম জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে, খরগোশ খাওয়ার জন্য কেনা হয়েছিল বলে জানিয়েছিলেন।

তবে মেরিকে সত্য স্বীকার করতেই হয়েছিল শেষ পর্যন্ত। প্রথমে ডগলাস তিন-চারবার কয়েক ঘণ্টা মেরিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন। পরের কয়েক দিন ধরে মেরিকে স্বীকার করার জন্য প্রচুর চাপ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি তা করেননি। অবশেষে, অন্য নারীর চেয়ে তার মধ্যে কী আলাদা ছিল তা জানতে মেরিকে বেদনাদায়ক পরীক্ষামূলকভাবে সার্জারি করার জন্য স্যার রিচার্ড ম্যানিংহাম হুমকি দিয়েছিলেন। এই বিপজ্জনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে মেরি অবশেষে ৭ই ডিসেম্বর, ১৭২৬-এ স্বীকার করেছিলেন খরগোশ জন্ম দেওয়ার ঘটনা মিথ্যা।

মেরি টফট স্বীকার করেছেন যে, তিনি নিজের প্রজনন অঙ্গে মরা খরগোশ ভরে নিতেন। এগুলো বের করেই বলতেন যে, তিনি খরগোশের জন্ম দিচ্ছেন। এ মিথ্যাচারের সঙ্গে বিভিন্ন সময় স্বীকারোক্তির মাধ্যমে মেরি স্থানীয় এক নারী, তার শাশুড়ি, একজন রহস্যময় অপরিচিত ব্যক্তি, জন হাওয়ার্ডের জড়িত থাকার কথা বলেন। টফট পরিবার মূলত এমন অসম্ভব ঘটনা ছড়িয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হতে চেয়েছিলেন।

প্রতারণার পরিণাম

১৭২৬ সালের ৯ই ডিসেম্বর মেরির বিরুদ্ধে ‘কুখ্যাত ও জঘন্য প্রতারণা’র অভিযোগ আনা হয়েছিল। তাকে ব্রাইডওয়েল কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছিল এবং বিশাল জনতার সামনে তাকে প্রদর্শন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এই মামলায় জড়িত চিকিৎসা পেশাদারদেরও প্রতারণার পরিণতি ভোগ করতে হয়েছিল।

ব্রাইডওয়েল কারাগার। ছবি; সংগৃহীত

মেরি টফটকে একবার দেখার জন্য জনতা কয়েক মাস ধরে ব্রাইডওয়েলের কারাগারে ভিড় করেছিল। তিনি এই সময় শারীরিকভাবেও বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে, বেশ কয়েক মাস তাকে কারাগারে আটক রাখার পর ৪ই এপ্রিল, ১৭২৭-এ তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ১৭৬৩ সালে তিনি গডালমিংয়ে মৃত্যু বরণ করেন। তবে তার কারাগার থেকে ছাড়া পাওয়ার পরবর্তী জীবন সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র- হিস্টোরিক-মিস্ট্রিয়াস

ডেইলি বাংলাদেশ/এইচএন