যানজট আরো তীব্র, নতুন দুর্ভোগ বৃষ্টি

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৭ জুলাই ২০২১,   শ্রাবণ ১২ ১৪২৮,   ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

যানজট আরো তীব্র, নতুন দুর্ভোগ বৃষ্টি

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:১৭ ২০ জুলাই ২০২১   আপডেট: ১৭:২৮ ২০ জুলাই ২০২১

বৃষ্টি-যানজটে নাকাল ঘরমুখো মানুষ

বৃষ্টি-যানজটে নাকাল ঘরমুখো মানুষ

ঈদ যাত্রায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে মঙ্গলবার ভোর থেকেই ২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজট আরো তীব্র হয়ে ৩০ কিলোমিটার ছাড়িয়েছে। একই সঙ্গে নতুন দুর্ভোগ হিসেবে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। ঈদের আগেরদিন যানজট আর বৃষ্টিতে নাকাল অবস্থা ঘরমুখো মানুষের।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাস, মিনিবাস, ব্যক্তিগত গাড়ির পাশাপাশি ট্রাক, পিকআপ ভ্যানে নিম্ন আয়ের ও শ্রমজীবী মানুষ বাড়ি ফিরছে। স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল করায় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ মহাসড়কে এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই বৃষ্টি শুরু হওয়ায় যানজটে আটকে পড়া মানুষের দুর্ভোগ আরো বেড়েছে।

আরো দেখা গেছে, ৩০ কিলোমিটার রাস্তাজুড়ে উত্তরবঙ্গগামী লেন যানবাহনে পূর্ণ হয়ে রয়েছে। এক জায়গায় অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে একটু একটু করে এগোতে হচ্ছে। কাছাকাছি গন্তব্যের অনেক যাত্রীই বাধ্য হয়ে বাস থেকে নেমে হেঁটে বাড়ির পথ ধরেছেন।

বঙ্গবন্ধু সেতুর টোলপ্লাজা সূত্র জানায়, স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিদিন ১২ থেকে ১৩ হাজার যানবাহন সেতু পারাপার হয়। কিন্তু কয়েকদিন ধরে স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি যানবাহন চলাচল করছে। সোমবার সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮ হাজার ৪২৩টি যানবাহন বঙ্গবন্ধু সেতু পারাপার হয়েছে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার তারুটিয়া এলাকায় ট্রাকচালক মোহর আলী জানান, তিনি আধা ঘণ্টার বেশি এক স্থানে দাঁড়িয়ে আছেন। দুই কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে ৪০ মিনিট সময় লেগেছে।

বগুড়াগামী সোবহান শেখ জানান, তিনি একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। কম ভাড়ায় গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য ট্রাকে উঠেছেন। এখন যানজট ও বৃষ্টিতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

এলেঙ্গা সিএনজি স্টেশনে রাজশাহীগামী মাইক্রোবাসের যাত্রী হাবিবুর রহমান জানান, প্রতিবার ঈদে ঘরে ফিরতে এমন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। টাঙ্গাইল বাইপাস থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার রাস্তা পেরোতে সময় লেগেছে দুই ঘণ্টারও বেশি। একই স্থানে আটকে থেকে অসুস্থ হয়ে পড়তে হয়। এতে ঈদের আনন্দই মাটি হয়ে যায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, যানজট নিরসনে জেলা পুলিশের ছয় শতাধিক এবং হাইওয়ে পুলিশের দুই শতাধিক সদস্য মাঠে রয়েছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর