কুষ্টিয়ায় করোনা হাসপাতালে আরো ১২ জনের মৃত্যু

ঢাকা, শুক্রবার   ৩০ জুলাই ২০২১,   শ্রাবণ ১৬ ১৪২৮,   ১৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

কুষ্টিয়ায় করোনা হাসপাতালে আরো ১২ জনের মৃত্যু

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১০:১৯ ২০ জুলাই ২০২১   আপডেট: ১০:১৯ ২০ জুলাই ২০২১

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

গত ২৪ ঘণ্টায় কুষ্টিয়ায় করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে প্রাণ হারিয়েছেন আরো ১২ জন। সোমবার (১৯ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। এদের মধ্যে করোনায় ৯ জন এবং তিনজন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এম এ মোমেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০০ শয্যার করোনা ইউনিটে মঙ্গলবার সকাল ১০টা পর্যন্ত রোগী ভর্তি রয়েছেন ২৫৩ জন। এরমধ্যে করোনা নিয়ে এ পর্যন্ত ভর্তি রয়েছেন ১৮২ জন এবং ৭১ জন উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন। 

এদিকে নতুন এক হাজার ৬২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৪২১ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। জেলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৩১ জনে। শনাক্ত ৪২১ জনসহ আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৫৯২ জনে। 

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ৩৩ দশমিক ৩৬ শতাংশ। নতুন করে শনাক্ত হওয়া ৪২১ জনের মধ্যে কুষ্টিয়া সদরের ১৩৬ জন, দৌলতপুরের ৭৫ জন, কুমারখালীর ৭৩ জন, ভেড়ামারার ৫৪ জন, মিরপুরের ৫৪ জন ও খোকসার ২৯ জন রয়েছেন। 

এখন পর্যন্ত জেলায় ৮০ হাজার ৪৯৭ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য নেয়া হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে ৭৬ হাজার ২৪৭ জনের। বর্তমানে কুষ্টিয়ায় সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৪ হাজার ১৭৫ জন। তাদের মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ২৫৪ জন ও হোম আইসোলেশনে আছেন ৩ হাজার ৯২১ জন।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এম এ মোমেন বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলার কারণে মানুষ আগের চেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। করোনার নতুন স্ট্রেইন ছড়িয়ে পড়ায় একজনের দ্বারা অনেক লোক আক্রান্ত হতে পারেন। এ জন্য স্বাস্থ্যবিধি মানাতে প্রশাসককে আরো কঠোর হতে হবে। 

তিনি আরো বলেন, ডেডিকেটেড হাসপাতাল ঘোষণার পর থেকে রোগীর চাপ বাড়ছেই। প্রয়োজনের তুলনায় লোকবল কম। এ জন্য চিকিৎসক, নার্স, আয়াসহ সংশ্লিষ্ট সবাই চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। প্রতিদিন শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। সঙ্গে হাসপাতালেও রোগীর চাপ বাড়ছে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম