কুমিল্লায় পরিবহন চাঁদাবাজ চক্রের ১১ সদস্য গ্রেফতার

ঢাকা, বুধবার   ২৮ জুলাই ২০২১,   শ্রাবণ ১৩ ১৪২৮,   ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

কুমিল্লায় পরিবহন চাঁদাবাজ চক্রের ১১ সদস্য গ্রেফতার

কুমিল্লা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:২৮ ১৯ জুলাই ২০২১  

পরিবহন চাঁদাবাজ চক্রের গ্রেফতারকৃত ১১ সদস্য

পরিবহন চাঁদাবাজ চক্রের গ্রেফতারকৃত ১১ সদস্য

কুমিল­ায় পরিবহন চাঁদাবাজ চক্রের ১১ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। সোমবার দুপুরে তিনটি স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় চাঁদা আদায়ের ভুয়া রশিদ ও ১৯ হাজার ১৭০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- সদর দক্ষিণ থানার শাকতলা গ্রামের রুকন মিয়ার ছেলে স্বপন মিয়া, নিশ্চিন্তপুর বাগমারার মোবারকের ছেলে আলমগীর হোসেন, ওহিদ মিয়ার ছেলে মো.আকাশ, চাঁদপুরের কচুয়া থানার আসাদপুরের কামাল হোসেনের ছেলে জিহান হোসেন, নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জ থানার নোয়াপাড়ার মেহের আলীর ছেলে আব্দুল আলী, কুমিল­া কোতয়ালি থানার গোবিন্দপুরের পরদেশ আহম্মেদ ভূঁইয়ার ছেলে তৌফিকুর রহমান মারুফ ওরফে আবির, কুমিল্লা নগরীর শাসনগাছা মধ্যপাড়ার আব্দুল বারেকের ছেলে মো. রুবেল ও শাহ আলমের ছেলে মোহাম্মদ রনি, বুড়িচং থানার ভবানীপুরের আব্দুল জুলহাস মিয়ার ছেলে অহিদ মিয়া, ইছাপুরের হাজী আসমত আলীর ছেলে আলমগীর হোসেন ও তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আমির হোসেন।

সোমবার বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-১১ এর কুমিল্লা সিপিসির অধিনায়ক মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব।

তিনি জানান, সদর দক্ষিণ থানার জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ডে অভিযান চালিয়ে পরিবহন চাঁদাবাজ চক্রের ছয়জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। ওই সময় চাঁদা আদায়ের ছয়টি ভুয়া রশিদ, ৬ হাজার ৫৯০ টাকা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে শাসনগাছা বাসস্ট্যান্ডে অভিযান চালিয়ে ওই চক্রের আরো দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। ওই সময় চাঁদা আদায়ের দুটি ভুয়া রশিদ বই ও ৪ হাজার ৩২০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া বুড়িচং থানার ভরসার বাজারে আরেকটি অভিযান চালিয়ে চক্রের আরো তিনজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে তিনটি চাঁদা আদায়ের ভুয়া রশিদ বই ও ৮ হাজার ২৬০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায়- তারা দীর্ঘদিন ধরে পরিবহন চালকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর