সেজান জুস কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, দুই ছেলেসহ হাসেমের জামিন

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৭ জুলাই ২০২১,   শ্রাবণ ১২ ১৪২৮,   ১৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

সেজান জুস কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, দুই ছেলেসহ হাসেমের জামিন

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:২০ ১৯ জুলাই ২০২১   আপডেট: ২০:২৯ ১৯ জুলাই ২০২১

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সেজান জুসের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার আটজনের মধ্যে হাসেম গ্রুপের মালিক আবুল হাসেমসহ তার দুই ছেলেকে জামিন দিয়েছে আদালত।

সোমবার নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আনিসুর রহমানের আদালতে জামিনের আবেদন করা হলে আদালত এ জামিন দেয়। এর আগে হাসেমের আরো দুই ছেলেকে জামিন দেয় আদালত।

জামিনপ্রাপ্তরা হলেন- সজীব গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. আবুল হাসেম, তার ছেলে হাসীব বিন হাসেম ওরফে সজীব, তারেক ইব্রাহীম। এর আগে জামিন পান তাওসীব ইব্রাহীম, তানজীম ইব্রাহীম।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, সোমবার হাসেমসহ তার দুই ছেলের জামিন দিয়েছে আদালত। এর আগে আরো দুই ছেলের জামিন হয়। বাকিরা কারাগারে আছেন।

এর আগে বুধবার (১৪ জুলাই) বিকেলে চারদিনের রিমান্ড শেষে তাদেরকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা খাতুনের আদালতে আসামিপক্ষ সবার জামিনের আবেদন করলে আদালত তার আরো দুই ছেলেকে জামিনের আদেশ দেয়।

এর আগে শনিবার (১০ জুলাই) গ্রেফতার ৮ জনকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা খাতুনের আদালতে হত্যা এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিন করে পুলিশ রিমান্ড আবেদন করলে আদালত প্রত্যেককে চারদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রূপগঞ্জ থানার পরিদর্শক হুমায়ুন কবির জানান, হত্যা ও হত্যার অভিযোগে সজীব গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. আবুল হাসেমসহ আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

গ্রেফতার আটজন হলেন- সজীব গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. আবুল হাসেম, তার ছেলে হাসীব বিন হাসেম ওরফে সজীব, তারেক ইব্রাহীম, তাওসীব ইব্রাহীম, তানজীম ইব্রাহীম, শাহান শান আজাদ, মামুনুর রশিদ ও মো. সালাউদ্দিন।

এদের মধ্যে কারাগারে আছেন- শাহান শান আজাদ, মামুনুর রশিদ ও মো. সালাউদ্দিন।

বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার রূপগঞ্জ উপজেলার কর্ণগোপ এলাকায় অবস্থিত ওই কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ডেমরা, কাঞ্চনসহ ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিট আগুন নেভাতে কাজ করে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২৯ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এ সময়ের মধ্যে ঝরে গেছে ৫১ প্রাণ। আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম/এআর