ব্রহ্মপুত্রের গর্ভে বিদ্যালয়-ক্লিনিক

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০৩ আগস্ট ২০২১,   শ্রাবণ ১৯ ১৪২৮,   ২৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

ব্রহ্মপুত্রের গর্ভে বিদ্যালয়-ক্লিনিক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:২১ ১৫ জুন ২০২১  

ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন কবলিত এলাকা

ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন কবলিত এলাকা

ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধিতে ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। ভাঙনের কবলে পড়েছে ওই উপজেলার চরশৌলামারী ইউনিয়নের ঘুঘুমারী, সুখেরবাতী, চরঘুঘুমারী, খেরুয়ারচর, খেদাইমারী, চর খেদাইমারী, সাহেবের আলগা, বলদমারা, বাইশ পাড়া, সোনাপুর গ্রাম।

ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে ব্রহ্মপুত্রের তীরবর্তী এসব এলাকার মানুষ। বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে অন্যের জমিতে খোলা আকাশের নিচে পলিথিন টানিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে তারা। এরই মধ্যে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ঘুঘুমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ঘুঘুমারী কমিউনিটি ক্লিনিক ব্রহ্মপুত্রের গর্ভে বিলীন হয়েছে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, বর্ষার শুরুতেই ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন ঠেকাতে না পারলে বিলীন হয়ে যাবে বামতীর রক্ষাবাঁধের আংশিক কাজ, ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি।

ঘুঘুমারী গ্রামের বাসিন্দা মিয়া উল্লাহ বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে আমার বাড়িঘর ও ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে গেছে। দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নিলে আমরা নিঃস্ব হয়ে যাব।

চর শৌলমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এইচএম সাইদুর রহমান দুলাল বলেন, ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনের ফলে কয়েকটি গ্রাম বিলীন হওয়ার পথে। এরই মধ্যে ঘুঘুমারী, খেদাইমারী, সোনাপুরসহ কয়েকটি গ্রামে ভাঙন দেখা দিয়েছে। শত শত মানুষ ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। ভাঙন কবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

রৌমারী উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল্লাহ বলেন, আমি ভাঙন কবলিত এলাকা ঘুরে দেখেছি। ভুক্তভোগীদের অবস্থা খুবই করুণ। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী গ্রামগুলো বিলীন হয়ে যাবে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম বলেন, নদী ভাঙনের বিষয়টি জেনেছি। রৌমারী উপজেলার ঘুঘুমারী পয়েন্টে ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে কাজ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরই মধ্যে সাহেবের আলগা পয়েন্টে ভাঙন রোধে ঠিকাদার নিযুক্ত করা হয়েছে। বাকি স্থানেও দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর