শ্বশুরকে অনুসরণ করেই উত্থান নাসিরের

ঢাকা, সোমবার   ০২ আগস্ট ২০২১,   শ্রাবণ ১৯ ১৪২৮,   ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

নায়িকা পরীমনি ধর্ষণ-হত্যাচেষ্টা

শ্বশুরকে অনুসরণ করেই উত্থান নাসিরের

ঝালকাঠি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৪১ ১৫ জুন ২০২১   আপডেট: ১৮:৫৩ ১৫ জুন ২০২১

ফরপরীমনি ও নাসির ইউ মাহমুদ

ফরপরীমনি ও নাসির ইউ মাহমুদ

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার নাসির উদ্দিন মাহমুদের বাড়ি ঝালকাঠিতে। ঝালকাঠি শহরের কলেজ মোড়ে তার পৈত্রিক বাড়ি হলেও বেড়ে ওঠা বরিশাল শহরে।

সোমবার নাসিরের গ্রেফতারের খবরে ঝালকাঠি শহরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। সেখান থেকেই উঠে আসে নাসির উদ্দিন মাহমুদের উত্থানের গল্প।

নাসিরের বাবা মো. হারুন রশীদ পুলিশে চাকরি করতেন। এএসপি হিসেবে অনেক বছর আগে অবসরে গেছেন তিনি। বরিশাল শহরের বগুড়া রোডের একটি বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন নাসির। তার চাচা বেলায়েত হোসেন ঝালকাঠি পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন দীর্ঘদিন।

নাসির উদ্দিন মাহমুদ পটুয়াখালী জুবিলী স্কুল, বরিশাল জিলা স্কুল, বরিশাল বিএম কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। ১৯৭৫-৭৬ সালে এসএসসি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সয়েল, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করেন তিনি।

শুধু বাবার বাড়িই নয়, নাসির উদ্দিন মাহমুদের শ্বশুরবাড়িও ঝালকাঠিতে। জেলা শহরের রোনালসে রোডের বিউটি মঞ্জিলের মালিক আব্দুর রশিদ তার শ্বশুর। তিনি ঠিকাদার ছিলেন। শ্বশুরকে অনুসরন করে নাসির উদ্দিন মাহমুদও ঝালকাঠি এবং বরিশাল শহরে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের ঠিকাদারী করতেন। নব্বই দশকের শেষদিকে তিনি ঢাকায় স্থায়ী হয়ে ব্যবসা শুরু করেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, পরীমণিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি ও ঢাকা বোট ক্লাবের সদস্য নাসির উদ্দিন মাহমুদ প্রায় ৪০ বছর ধরে ডেভেলপার ব্যবসায় যুক্ত আছেন। কুঞ্জ ডেভেলপার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যানের পদেও আছেন তিনি।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কনস্ট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রির (বিএসিআই) সাবেক নির্বাহী পরিষদের সদস্য নাসির উদ্দিন মাহমুদ। তিনি ২০১৫, ২০১৬ এবং ২০১৭ সালে উত্তরা ক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি এবং লায়ন ক্লাবের ঢাকা জোনের চেয়ারম্যান ছিলেন। এছাড়া নাসির জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য। ২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর জাপার নবম কাউন্সিলে তিনি এ পদ পান।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর