কুষ্টিয়ায় ট্রিপল মার্ডার: আসমা-রবিন-শাকিলের দাফন

ঢাকা, শনিবার   ২৪ জুলাই ২০২১,   শ্রাবণ ৯ ১৪২৮,   ১৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

কুষ্টিয়ায় ট্রিপল মার্ডার: আসমা-রবিন-শাকিলের দাফন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:২৭ ১৪ জুন ২০২১  

বা থেকে- আসামি সৌমেন রায়, নিহত আসমা, রবিন ও শাকিল

বা থেকে- আসামি সৌমেন রায়, নিহত আসমা, রবিন ও শাকিল

পরকীয়ার জেরে কুষ্টিয়া শহরের কাস্টমস মোড়ে পুলিশ সদস্য সৌমেন রায়ের গুলিতে নিহত আসমা, তার ছেলে রবিন ও প্রেমিক শাকিলকে দাফন করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে আসমা ও রবিনকে কুমারখালীর নাতুড়িয়া কবরস্থানে ও শাকিলকে একই উপজেলার সাঁওতা কারিগর পাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এর আগে, একইদিন সকালে ময়নাতদন্ত শেষে তিনজনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দাফন শেষে নিহত আসমার ভাই বাবুল শেখ বলেন, পুলিশকে অস্ত্র দেয়া হয় জনগণের নিরাপত্তার জন্য। সেই অস্ত্র দিয়েই দিন-দুপুরে আমার বোন-ভাগনেকে হত্যা করেছে এএসআই সৌমেন। আমরা তার শাস্তি চাই।

দাফনের পর নিহতদের স্বজনদের আহাজারি

আসমার বাবা আমির শেখ বলেন, সৌমেন পরিচয় গোপন করে তিন বছর আগে আমার মেয়েকে বিয়ে করেছে। হত্যাকাণ্ডের পর আমরা জানতে পারি সে হিন্দু। এ হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই মানতে পারছি না। সৌমেনের ফাঁসি চাই।

নিহত শাকিলের বাবা মিজবার বলেন, আমার ছেলের কোন দোষ ছিল না। কেন তাকে হত্যা করা হল? এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠ বিচার করতে হবে।

কুমারখালী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, শাকিলকে দুপুর ১২টায় ও বাদ জোহর আসমা-রবিনকে নিজ গ্রামে দাফন করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের একমাত্র আসামি এএসআই সৌমেন রায়কে কুষ্টিয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়েছে। তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। দুপুর ১টা ১০ মিনিট থেকে প্রায় চার ঘণ্টা বিচারক মো. এনামুল হক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে সৌমেন রায়কে কারাগারে পাঠানো হয়।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর