কাউন্সিলর খোরশেদের বিরুদ্ধে সায়েদা শিউলির মামালা

ঢাকা, রোববার   ১৩ জুন ২০২১,   জ্যৈষ্ঠ ৩১ ১৪২৮,   ০১ জ্বিলকদ ১৪৪২

কাউন্সিলর খোরশেদের বিরুদ্ধে সায়েদা শিউলির মামালা

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৪১ ১৭ মে ২০২১  

কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার ওরফে খোরশেদ ও সাঈদা আক্তার ওরফে সায়েদা শিউলি

কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার ওরফে খোরশেদ ও সাঈদা আক্তার ওরফে সায়েদা শিউলি

ফেসবুক লাইভে এসে আপত্তিকর, বানোয়াট ও মিথ্যা কাহিনি সাজিয়ে কুৎসা রটানোর অভিযোগে করোনা মোকাবিলায় আলোচিত নারায়ণগঞ্জের কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার ওরফে খোরশেদসহ দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন সাঈদা আক্তার ওরফে সায়েদা শিউলি নামে এক নারী।

রোববার রাতে ফতুল্লা ফতুল্লা মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন তিনি। কাউন্সিলর খোরশেদের সঙ্গে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে ফতুল্লা থানার সস্তাপুরের ফেরদৌস আক্তার রেহানা ওরফে রেহানা মুসকান নামে এক নারীকে।

সাঈদা আক্তার ওরফে সায়েদা শিউলি মামলায় উল্লেখ করেন- তিনি নারায়ণগঞ্জ-মুন্সিগঞ্জ সিএনজি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং গার্মেন্ট ব্যবসায়ী ও বিজেএমইএ’র সদস্য। ব্যবসার কাজে প্রায়ই তাকে বিদেশে অবস্থান করতে হয়। খোরশেদের সঙ্গে তার পরিচয় ছোটবেলা থেকেই। আগে তার একবার বিয়ে হয়েছিল। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। সেই সংসারে সন্তানও রয়েছে। পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে খোরশেদ ও শিউলি মেসেঞ্জারে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করতেন। এক পর্যায়ে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন খোরশেদ।

শিউলি আরো জানান, ২০২০ সালের ২ আগস্ট কাচপুরের এস.এস ফিলিং স্টেশনে কাউন্সিলর খোরশেদ নিজেই কাজী নিয়ে গিয়ে পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তিনি ও খোরশেদ বিভিন্ন স্থানে একসঙ্গে রাত্রিযাপনসহ শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন। পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে খোরশেদ তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। ওই অবস্থায় শিউলি ব্যবসায়িক কাজে দুবাই চলে গেলে চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল খোরশেদ নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে তার বিরুদ্ধে আপত্তিকর, বানোয়াট ও মিথ্যা কাহিনি সাজিয়ে কুৎসা রটান। পরদিন ফেরদৌস আক্তার রেহানা ওরফে রেহানা মুসকান নামে ওই নারী কাউন্সিলর খোরশেদের বাসায় গিয়ে লাইভে শিউলিকে রাস্তার মেয়েদের সঙ্গে তুলনা করে আপত্তিকর কথাবার্তা বলেন এবং তার চুল কেটে ফেলার ঘোষণা দেন।

সাঈদা আক্তার ওরফে সায়েদা শিউলি জানান, এসব বিষয় তিনি দুবাই থাকাকালীন এক বান্ধবীর কাছ থেকে জানতে পারেন। পরবর্তীতে কাউন্সিলর খোরশেদ ও রেহানা মুসকানের ফেসবুক আইডিতে গিয়ে সত্যতা পান। বর্তমানে দেশেই অবস্থান করছেন সায়েদা শিউলি।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। তদন্তের পাশাপাশি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর