মানবসেবায় জ্ঞানের আলো পাঠাগার

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০৩ আগস্ট ২০২১,   শ্রাবণ ১৯ ১৪২৮,   ২৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

মানবসেবায় জ্ঞানের আলো পাঠাগার

গোপালগঞ্জ প্র‌তিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৩৭ ১৭ মে ২০২১  

১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা মুন্নার পরিবারের কাছে হস্তান্তর

১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা মুন্নার পরিবারের কাছে হস্তান্তর

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো জ্ঞানের আলো পাঠাগার। এই সংগঠনটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ব্রেন টিউমারে আক্তান্ত এসএসসি পরীক্ষার্থী শেখ শাওন মুন্নার চিকিৎসার জন্য অর্থ সংগ্রহ করে। সংগৃহীত অর্থ দিয়ে মুন্নার চিকিৎসা সম্পন্ন করে। চিকিৎসা খরচ শেষে অবশিষ্ট ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৯৪ টাকা মুন্নার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।

সোমবার দুপুরে মুন্নার পরিবারের হাতে এ অর্থ তুলে দেয় জ্ঞানের আলো পাঠাগার। শেখ শাওন মুন্না তারাশী গ্রামের আব্দুল হালিম শেখের ছেলে। এ সময় কোটালীপাড়া থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম, জেলা পরিষদ সদস্য মাজহারুল আলম পান্না, প্রেসক্লাবের সভাপতি মিজানুর রহমান বুলু, আওয়ামী লীগ নেতা ইউনুচ শেখ, শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি লিটন শেখ, পাঠাগারের সভাপতি সুশান্ত মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। 

জ্ঞানের আলো পাঠাগারের সভাপতি সুশান্ত মন্ডল বলেন, জ্ঞানের আলো পাঠাগার তাদের নিজস্ব ফেসবুক পেইজে মুন্নার চিকিৎসার জন্য অর্থ সহায়তা চেয়ে পোস্ট দেয়। এ পোস্টে সাড়া দিয়ে অনেক হৃদয়মান মানুষ এগিয়ে আসেন। সংগ্রহ হয় ৪ লাখ ৩৫ হাজার ৩০৯ টাকা। চিকিৎসায় খরচ হয় ২ লাখ ৯০ হাজার ৬১৫ টাকা। অবশিষ্ট ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৯৪ টাকা সকালে মুন্নার পরিবারের হাতে তুলে দেয়া হয়। 

কোটালীপাড়া থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, কোটালীপাড়া নতুন এসেছি। এখানে এসেই জ্ঞানের আলো পাঠগারের নাম শুনেছি। মানবতার সেবায় জ্ঞানের আলো পাঠাগার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। 

জেলা পরিষদ সদস্য মাজহারুল আলম পান্না বলেন, আর্তমানবতার সেবায় দীর্ঘদিন ধরে জ্ঞানের আলো পাঠাগার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এর আগে অসংখ্য দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের জটিল রোগের চিকিৎসা ও পুর্নবাসন হয়েছে এই সংগঠনের মাধ্যমে। জ্ঞানের আলো পাোগার সব সময় অসহায় মানুষের পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতা করে আসছে। 

হালিম শেখ বলেন, জ্ঞানের আলো পাঠাগার এগিয়ে না আসলে মুন্নার চিকিৎসা সম্ভব ছিল না। পাঠাগারটির সদস্যদের সহযোগিতায় আমার ছেলে আজ সুস্থ। সংগঠনটির সব সদস্যদের ধন্যবাদ জানাই। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে