অর্ধেক দামে বিক্রি হচ্ছে আনারস-তরমুজ  

ঢাকা, সোমবার   ১৪ জুন ২০২১,   আষাঢ় ১ ১৪২৮,   ০২ জ্বিলকদ ১৪৪২

অর্ধেক দামে বিক্রি হচ্ছে আনারস-তরমুজ  

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৫৭ ১৬ মে ২০২১   আপডেট: ১৬:১৯ ১৬ মে ২০২১

গত দুই দিন ধরে বাজারে তরমুজ ও আনারস অর্ধেক দামে বিক্রি হচ্ছে। মিলছে না ক্রেতাও।

গত দুই দিন ধরে বাজারে তরমুজ ও আনারস অর্ধেক দামে বিক্রি হচ্ছে। মিলছে না ক্রেতাও।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় অতিরিক্ত গরম ও রমজান মাসে মানুষের কাছে মৌসুমি ফলের তালিকায় ছিল তরমুজ ও আনারস। গরমের অবসাদ-ক্লান্তি দূর করতে তরমুজ আর আনারসের দামও ছিল আকাশ ছোঁয়া। 

গত দুই দিন ধরে বাজারে তরমুজ ও আনারস অর্ধেক দামে বিক্রি হচ্ছে। মিলছে না ক্রেতাও। যেখানে প্রতি ১ পিস তরমুজ বিক্রি হতো ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায়। সেখানে ওই তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১৮০ টাকা। আর যেখানে আনারস বিক্রি করতো ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা হালি সেখানে বিক্রি হচ্ছে ৯০-১৫০ টাকায়। পাশাপাশি দাম কমেছে কলার হালিও। যেখানে প্রতি হালি কলা ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হতো বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়। 

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, বৃষ্টিপাতের কারণে গরম কিছুটা কমে যাওয়া ও রমজান শেষ হওয়ায় চাহিদা তুলনামূলকভাবে অনেক কমে গেছে। অতিরিক্ত দামে তরমুজ ও আনারস কিনে আনায় ওই সব নিয়ে অনেকটাই বিপাকে রয়েছেন বলে জানায়। তাছাড়া বাজারে মৌসুমি ফল লিচু, আম উঠায় বিক্রি অনেক কমে গেছে। বাজারে ক্রেতা না পাওয়ায় খুচরা দোকানিরা এক প্রকার অলস সময় পার করছেন। 

পৌর শহরের সড়ক বাজার এলাকার আনারস বিক্রেতা মো. মজিবুর রহমান বলেন, রমজানের শুরু থেকে প্রতি হালি আনারস ২৫০-৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কিন্তু ঈদের পর থেকে চাহিদা অনেক কমে গেছে। বর্তমানে প্রতি হালি আনারস ৯০-১৫০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। পচনের ভয়ে কম দামে বিক্রি করা হচ্ছে বলে জানায়। এতে তাদের অনেক টাকা লোকসান শুনতে হবে বলে জানায়। 

তরমুজ বিক্রেতা আনোয়ার জানান, রোজার সময় তরমুজের ব্যবসা ভালো ছিল। প্রতি পিস তরমুজ নিচে ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বিক্রিতে ভালো লাভও হয়েছিল। কিন্তু গত দুইদিন ধরে বেচাকেনায় ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। প্রতি পিস ছোট তরমুজ ৭০, মাজারি ১০০ থেকে ১২০ ও বড় তরমুজ ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে লিচু,পাকা আম আসতে শুরু করায় তরমুজ বিক্রিতে অনেকটাই ভাটা পড়ে যাওয়ায় লোকসান গুনতে হবে বলে জানায়। 

পৌর শহরের দেবগ্রাম এলাকার মো. বাবুল মিয়া বলেন, রমজান মাসে তরমুজের দাম আকাশ ছোঁয়া থাকায় কেনা হয়নি। এখন দাম কমায় ৭০ টাকা দিয়ে ১টি তরমুজ কেনা হয়। 

শাহজাহান বলেন, রমজান মাসে এক হালি আনারস বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকা। এখন ১০০ টাকা দিয়ে ১ হালি কেনা হয়েছে। আমাদের মতো নিম্ন আয়ের লোকদের যে মৌসুমী ফল খাওয়ার দিন শেষ হয়ে গেছে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে