২৭ সেকেন্ডের কলে যা বলেছিলেন বাবুল

ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৫ জুন ২০২১,   আষাঢ় ২ ১৪২৮,   ০৩ জ্বিলকদ ১৪৪২

মিতু হত্যা

২৭ সেকেন্ডের কলে যা বলেছিলেন বাবুল

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৮:১৬ ১৩ মে ২০২১   আপডেট: ১৬:১৬ ১৩ মে ২০২১

ইনসেটে বাবুল আক্তার (বাঁয়ে) ও প্রতীকী ছবি (ডানে) -ফাইল ছবি

ইনসেটে বাবুল আক্তার (বাঁয়ে) ও প্রতীকী ছবি (ডানে) -ফাইল ছবি

পাঁচ বছর আগে প্রকাশ্যে নির্মমভাবে খুন হন তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। সেই সময় বাবুলের অঝোর কান্নার দৃশ্য আবেগাক্রান্ত করেছিল দেশের মানুষকেও। কিন্তু পুলিশের তদন্তে ধীরে ধীরে খোলাসা হতে থাকে কান্নার আড়ালে লুকিয়ে থাকা আরো একটি দৃশ্য। মাত্র ২৭ সেকেন্ডের একটি অডিও কলরেকর্ডই মামলার গতিপ্রকৃতি ঘুরে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

পিবিআই সূত্র বলছে, ঘটনার দিন সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে মুছা নামের এক ব্যক্তির মুঠোফোনে কল করেন তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তার। তখন সালাম দিয়ে ফোনটি রিসিভ করেন মুছা। ফোন ধরতেই বাবুল বলে উঠলেন- ‘তুই কোপালি ক্যান?’ তিন থেকে চার সেকেন্ড থেমে আবারো বলেন, ‘বল! তুই কোপালি ক্যান? তোরে কোপাতে কইছি?’ এরপরই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ফোনের সংযোগ।

এদিকে, বুধবার দুপুরে বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন মিতুর বাবা। মামলায় বাবুল আক্তার ছাড়াও আরো সাতজনকে আসামি করা হয়।

এর পরপরই প্রায় পাঁচ বছর আগে করা বাবুল আক্তারের মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয় পিবিআই। এরপর দুপুর আড়াইটার দিকে বাবুল আক্তারকে আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন জানায় পিবিআই। শুনানি শেষে তার পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন মহানগর হাকিম সরওয়ার জাহানের আদালত।

মিতুর বাবার করা মামলার অন্য আসামিরা হলেন- কামরুল ইসলাম সিকদার ওরফে মুসা, এহতেসামুল হক ভোলা, মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম, আনোয়ার হোসেন, খায়রুল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম সিকদার ওরফে শাকু ও শাহজাহান মিয়া।

এর মধ্যে বুধবার রাতে আসামি সাইদুল ইসলাম সিকদার ওরফে শাকুকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার রানীরহাট বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরের জিইসি মোড়ের কাছে ওআর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে গুলি ও ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। এ ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন বাবুল আক্তার। মামলাটি তদন্ত করছিল নগর ডিবি পুলিশ। পরে গত বছরের জানুয়ারিতে আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্তভার পায় পিবিআই।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর/এআর