বাইসাইকেলে ২৫৫ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে এপির বাড়ি ফেরা

ঢাকা, শনিবার   ১২ জুন ২০২১,   জ্যৈষ্ঠ ৩০ ১৪২৮,   ০১ জ্বিলকদ ১৪৪২

বাইসাইকেলে ২৫৫ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে এপির বাড়ি ফেরা

বগুড়া প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:২০ ১২ মে ২০২১  

প্রায় ২৫৫ কিলোমিটার পথ বাইসাইকেলে পাড়ি দিয়ে বাড়ি ফেরেন এপি।

প্রায় ২৫৫ কিলোমিটার পথ বাইসাইকেলে পাড়ি দিয়ে বাড়ি ফেরেন এপি।

চাকরির সুবাদে ঢাকার গোলাপবাগ এলাকায় থাকেন মৌসুমী আক্তার এপি। তিনি সেখানে বনানীর ‘চিটাগাং গ্রামার স্কুল ঢাকা’তে শিক্ষকতা করেন। ঈদে ছুটি পেয়ে ঠিক করেন বগুড়ায় গ্রামের বাড়িতে ঈদ করবেন। বন্ধুদের সঙ্গে একসঙ্গে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া করে তার বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন কারণে তা আর হয়ে উঠেনি। পরে সিদ্ধান্ত নেন বাইসাইকেলে করেই বাড়ি ফিরবেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রায় ২৫৫ কিলোমিটার পথ বাইসাইকেলে পাড়ি দিয়ে বাড়ি ফেরেন এপি।

বুধবার সন্ধ্যায় মুঠোফোনে ডেইলি বাংলাদেশকে জানান মৌসুমী আক্তার এপি। তিনি বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের রথবাড়ি মহল্লার আব্দুল হাকিম তালুকদারের মেয়ে।

এপি জানান, গত ৩ মে বিকেল চারটার দিকে গোলাপবাগ থেকে বগুড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ঢাকার জাহাঙ্গীরনগর থেকে তার সঙ্গে যোগ দেন মীর রাসেল নামের এক শিক্ষার্থী। রাসেল অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তারা দুজনই আলাদা বাইসাইকেল নিয়ে রওনা দেন। রাসেলের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলায়। একারণে রাসেল সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত তাকে সঙ্গ দেন। সিরাজগঞ্জে থেকে একা হয়ে যান তিনি। সেখান থেকে বগুড়া সদর উপজেলার কলোনিতে ফেরেন ৪ মে বেলা ১১টার দিকে। কলোনি এলাকায় তিনি ওই সময় তার এক বান্ধবীর বাড়িতে অবস্থান নেন। সেখানে ওই দিন থাকার পর ৫ মে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে নিজ বাড়িতে সকাল ১০ টার দিকে পৌঁছান তিনি।

মৌসুমী আক্তার এপি বলেন, যমুনা ব্রিজ একটি কার্গো গাড়িতে করে পার হতে হয়েছে। এরপর আবার বাইসাইকেল নিয়ে রওনা দিয়েছিলাম। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে