খুলনায় শবে কদরের মোনাজাতে করোনা মুক্তির আকুতি

ঢাকা, রোববার   ২০ জুন ২০২১,   আষাঢ় ৮ ১৪২৮,   ০৮ জ্বিলকদ ১৪৪২

খুলনায় শবে কদরের মোনাজাতে করোনা মুক্তির আকুতি

খুলনা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২২:৪০ ৯ মে ২০২১  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

শবে কদরে নামাজ, কুরআন তেলাওয়াত, ওয়াজ ও দোয়া মাহফিলসহ ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে রাতটি উদযাপন করছেন খুলনার ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। ২৬ রমজান দিবাগত রাতটি বাংলাদেশসহ উপমহাদেশে মহিমান্বিত একটি রাত হিসেবে পরিচিত। এ রাতে ইবাদত-বন্দেগি করে আল্লাহর কাছে গুনাহ মাফের জন্য প্রার্থনা করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

রোববার রাতে শবে কদর উপলক্ষে মসজিদে মসজিদে মিলাদ-মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মসজিদের ইমামরা শবে কদরের রাত উপলক্ষে বিশেষ বয়ান দেন। তারা শবে কদরের রাতের ফজিলত বর্ণনা করেন। নিজেদের গুনাহ মাফ, বরকত কামনাসহ দেশ ও মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি ও সমৃদ্ধ লাভ ও মহামারি করোনা থেকে পরিত্রাণে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা চেয়ে চোখের পানি ফেলছেন মুমিন বান্দারা।

তবে করোনাভাইরাসের কারণে এবার শবে কদরের আমেজে অনেকটা ভাটা পড়েছে। মসজিদে মুসল্লিদের ভিড় তুলনামূলক কিছুটা কম। ঘরে থেকেই রাত জেগে নফল ইবাদত, কোরআন তেলাওয়াত ও জিকির করছেন অনেকেই।

টাউন জামে মসজিদ, বায়তুন-নূর মসজিদ কমপ্লেক্সে, খুলনা আলীয়া মাদরাসা মসজিদ, ইসলামপুর জামে মসজিদ, বায়তুশ শরফ জামে মসজিদ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, সরকারি বিএল কলেজ জামে মসজিদ, নিরালা তাবলিগ মসজিদ, আল-হেরা জামে মসজিদ, মতি মসজিদ, বাংলাদেশ ব্যাংক কোয়াটার জামে মসজিদ, ময়লাপোতা বায়তুল আমান জামে মসজিদসহ নগরী ও জেলার উপজেলা পর্যায়ের মসজিদগুলোতে একটু বেশি ভিড় ছিলো।

এই মর্যাদাপূর্ণ রজনীতে বিপুল সংখ্যক মানুষ হাজির হয়েছেন মহানগরীর প্রধান গোরস্থান টুটপাড়া কবরস্থানে। সন্ধ্যার পর থেকে দলে দলে মানুষ যেতে থাকেন কবরস্থানে। সেখানে প্রয়াত প্রিয়জনের কবর জিয়ারত, তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন মানুষ। বসুপাড়া কবরস্থান, নিরালা কবরস্থান, গোয়ালখালী কবরস্থানসহ শহরের অন্যান্য কবরস্থানগুলোতেও একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম