ভারতে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ১৪ নির্দেশনা

ঢাকা, শনিবার   ১২ জুন ২০২১,   জ্যৈষ্ঠ ২৯ ১৪২৮,   ০১ জ্বিলকদ ১৪৪২

ভারতে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ১৪ নির্দেশনা

পঞ্চগড় প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:৪২ ৬ মে ২০২১  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ভারতে করোনা ভয়াবহ আকার ধারণ করায় পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাবান্ধায় ভারত থেকে সংক্রমন ঠেকাতে তেঁতুলিয়া উপজেলা করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনা কমিটি বন্দর সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে জরুরি সভা করে ১৪টি নির্দেশনা জারি করে।

চলতি মাসের শুরু থেকেই তা বাস্তবায়নে কঠোর হয় স্থানীয় প্রশাসন। উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনারের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের একটি তদারকি কমিটিও করা হয়েছে। 

ভারতে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ায় গত ২৬ এপ্রিল থেকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে মানুষ যাতায়াত বন্ধ করে দেয়া হয়। তবে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় চালু রয়েছে পণ্য আমদানি রফতানি কার্যক্রম। ভারত, নেপাল ও ভুটানের গাড়ি চালকরা বাংলাবান্ধা এলাকায় বেপরোয়াভাবে ঘোরাফেরা করতেন। অধিকাংশের মুখে ছিলো না কোনো মাস্ক। বন্দর কর্তৃপক্ষকেও তেমন কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।

বিষয়টি গণমাধ্যমে আসার পর নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন। গত ২৮ এপ্রিল জরুরি সভা করে তারা বন্দরের জন্য ১৪ নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনা অনুযায়ী এখন ভারতীয়সহ বিদেশি চালকরা মাস্ক পরে আলাদা শেডে অবস্থান করছেন। তারা নির্ধারিত টয়লেট ব্যবহার এবং নির্ধারিত দোকানে মালামাল ক্রয় করছেন। বন্দর এলাকায় বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বন্দরের শ্রমিকদের আলাদা পোশাক দেয়া হয়েছে এবং বন্দর সংশ্লিষ্ট অন্যরা পরিচয়পত্র ব্যবহার করছেন। বাংলাদেশি চালকরা ভারত, নেপাল ও ভুটান থেকে ফিরে নিজ বাড়িতে গিয়ে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকছেন। তাদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করছেন স্থানীয় প্রশাসন। 

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশউপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার মাসুদুল হকের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের তদারকি কমিটি প্রতিদিন বাংলাবান্ধায় নিয়মিত পরিদর্শন করছেন। বন্দরে নির্দেশনা মানা হচ্ছে কিনা তা দেখভাল করছেন তারা।

তিনি বলেন, আমরা ভারত থেকে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছি। দিনের বেশির ভাগ সময় আমাদের বাংলাবান্ধাতেই কাটছে। আমরা চাই না ভারতের মতো অবস্থা আমাদের এখানে সৃষ্টি হোক।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম