চরাঞ্চলে দুস্থদের মাঝে কোস্ট গার্ড ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের ত্রাণ

ঢাকা, রোববার   ০৯ মে ২০২১,   বৈশাখ ২৬ ১৪২৮,   ২৬ রমজান ১৪৪২

চরাঞ্চলে দুস্থদের মাঝে কোস্ট গার্ড ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৪০ ১৮ এপ্রিল ২০২১  

চরাঞ্চলে দুস্থদের মাঝে কোস্ট গার্ড ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

চরাঞ্চলে দুস্থদের মাঝে কোস্ট গার্ড ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মুন্সিগঞ্জ ও চাঁদপুরের চরাঞ্চলের কর্মহীন ও দুস্থদের মাঝে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে মুন্সিগঞ্জের বকচর এবং চাঁদপুরের ষাটনল এলাকায় গরীব ও দুস্থ পরিবারের মাঝে এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

এদিন দুপুরে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদর দফতরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আমিরুল হক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্যবধি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড উপকূল ও চরঞ্চলের মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনে এগিয়ে এসেছে। বর্তমান করোনাভাইরাসের প্রভাবে উপকূল ও চরঞ্চলের কর্মহীন ও দুস্থ মানুষের জীবিকা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। 

এরই ধারাবাহিকতায় বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় পাগলা কোস্ট গার্ড স্টেশান মুন্সিগঞ্জের বকচর এবং চাঁদপুরের ষাটনল এলাকায় প্রায় ১০০ গরীব ও দুস্থ পরিবারের মাঝে চাল, আটা, লবন, ছোলা বুট ও বুটের ডাল বিতরণ করা হয়েছে। 

তিনি বলেন, এছাড়াও গত ৩১ মার্চ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় কোস্ট গার্ডের সহযোগিতায় চাঁদপুরের রাজরাজেশ্বর, হাইমচরের বাংলাবাজার, মুন্সিগঞ্জের মেদিনীমন্ডল ও কান্দিপাড়া, গজারিয়া সদর, ইস্পাহানি চর, ভাটিবলাকি এবং চরবলাকি এলাকার সর্বমোট ৯০০ গরীর ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। 

পাশাপাশি উপকূলীয় অন্যান্য অঞ্চলগুলোতে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় কোস্ট গার্ডের সহযোগিতায় গরীর ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। 

তিনি আরো বলেন, কোস্ট গার্ডের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, ডাকাতি দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের কর্মহীন ও দুস্থদের মাঝে সহযোগিতার এ ধারাবাহিকতা নিয়মিত অব্যাহত আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএএম/জেডআর