অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে মাটি তোলায় ভেঙে পড়ছে ফসলি জমি

ঢাকা, বুধবার   ১৪ এপ্রিল ২০২১,   বৈশাখ ১ ১৪২৮,   ০১ রমজান ১৪৪২

অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে মাটি তোলায় ভেঙে পড়ছে ফসলি জমি

কুমিল্লা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:২৬ ৯ মার্চ ২০২১   আপডেট: ১৫:৫৬ ৯ মার্চ ২০২১

প্রতিদিন এসব জমি থেকে হাজার হাজার ঘনফুট মাটি তোলার কারণে মাটির তলদেশ খালি হয়ে এলাকায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে।

প্রতিদিন এসব জমি থেকে হাজার হাজার ঘনফুট মাটি তোলার কারণে মাটির তলদেশ খালি হয়ে এলাকায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে।

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউপির চাঁনগাছাসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে মাটি তোলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে আশপাশের ফসলি জমির তলদেশ মাটিশূন্য হয়ে জমিগুলো ভেঙে পড়ছে।

সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, ফসলি জমিতে ড্রেজার বসিয়ে মাটি তোলায় নিষেধাজ্ঞা থাকলেও উপজেলার মোকাম ইউপির চাঁনগাছা, ময়নামতি ইউপির নামতলা, উপজেলার প্রায় সবকটি ইউপির কোথাও না কোথাও জমিতে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে মাটি তোলা হচ্ছে। এ অবস্থায় আশপাশের জমির অংশ বিশেষ যেমন ভেঙে পড়ছে, তেমনি এসব মাটি পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ট্রাক-ট্রাক্টরের কারণে অন্যান্য ফসলও নষ্ট হচ্ছে। বাড়ছে পরিবেশ দূষণও।

উপজেলার চাঁনগাছা গ্রামের ভাড়াটিয়া পার্শ্ববর্তী চান্দিনা উপজেলার নবাবপুর এলাকার বাসিন্দা কাউসার চাঁনগাছা গ্রামে এক ইউপি সদস্যের বাড়ি থেকে বিভিন্ন স্থানের ফসলি জমিতে ড্রেজার বসিয়ে মাটি তোলার কাজ করছেন। এতে আশপাশের জমিগুলোর মাটি ভেঙে কৃষকরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। 

জমিগুলোর মাটি ভেঙে কৃষকরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। 

জমিতে ড্রেজারের সঙ্গে প্লাস্টিকের পাইপ বসিয়ে প্রায় দু’কিলোমিটার দূরে মাটি নিয়ে যাচ্ছে। এতে আশপাশের ফসলি জমির চাষাবাদেও কৃষকদের বিঘ্ন হচ্ছে। প্রতিদিন এসব জমি থেকে হাজার হাজার ঘনফুট মাটি তোলার কারণে মাটির তলদেশ খালি হয়ে এলাকায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে। এদিকে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলেও প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় থাকায় ওইসব ড্রেজার পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না। 

ময়নামতির নামতলা এলাকার বাসিন্দা জহির নামে এক ব্যক্তির অভিযোগ, এভাবে ড্রেজারের মাধ্যমে মাটি তোলার কারণে ময়নামতি এলাকার অনেক স্থানে ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় ভূমি ও উপজেলা প্রশাসনের নজরদারীর অভাবে দিন দিন ড্রেজারে মাটি খননের কাজ বাড়ছে। 

বিষয়টি জানতে চাইলে বুড়িচংয়ের ইউএনও মোসাম্মৎ সাবিনা ইয়াছমিন বলেন, বিষয়টি এখন জানতে পারলাম। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।  

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে