নবীনগরে জোড়া খুনের মামলায় কারাগারে ইউপি চেয়ারম্যান

ঢাকা, শুক্রবার   ২৩ এপ্রিল ২০২১,   বৈশাখ ১০ ১৪২৮,   ১০ রমজান ১৪৪২

নবীনগরে জোড়া খুনের মামলায় কারাগারে ইউপি চেয়ারম্যান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:১৫ ৮ মার্চ ২০২১   আপডেট: ২১:২৫ ৮ মার্চ ২০২১

মাসুদ রানা (ফাইল ছবি)

মাসুদ রানা (ফাইল ছবি)

জোড়া খুনের একটি মামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সাতমোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে জেলহাজতে পাঠিয়েছে আদালত।

মাসুদ রানা নামের ওই চেয়ারম্যান সোমবার দুপুরে আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ শফিউল আজম তার আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আদালতের পুলিশের পরিদর্শক কাজী মো. দিদারুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ২০১৭ সালের একটি জোড়া খুনের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ রানা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালতের বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, সাবেক বিজিবি সদস্য ইয়াছিন মিয়া ও তার ভায়েরা ভাই এনামুল হক ২০১৭ সালের ১ মার্চ নবীনগর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামে প্রতিপক্ষের হাতে খুন হন। তারা দুইজনই উপজেলার রসুল্লাবাদ ইউনিয়নের রসুল্লাবাদ গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

নিহতদের স্বজনদের অভিযোগ, মোটসরাইকেল নিয়ে বিরোধের জেরে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে এমএ হালিম ভাই ও সাতমোড়া ইউপির চেয়ারম্যান মাসুদ রানা তার সহযোগীদের নিয়ে ইয়াছিন এবং এনামুলকে খুন করেন। এই হত্যাকাণ্ডকে ‘গণপিটুনিতে ডাকাত নিহত’ বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ রানা। তখন নবীনগর থানা পুলিশও হত্যা মামলা নেয়নি।

এরপর এনামুল হকের স্ত্রী তাসলিমা বেগম ২৬ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারক মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের নির্দেশ দেন। দীর্ঘ তদন্তের পর সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ রানাসহ ২৮ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১৮ সালের ২ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম