জামালপুর রওজাতুল মাদরাসার শিক্ষার্থীদের কৃতিত্ব

ঢাকা, সোমবার   ১২ এপ্রিল ২০২১,   চৈত্র ২৯ ১৪২৭,   ২৮ শা'বান ১৪৪২

জামালপুর রওজাতুল মাদরাসার শিক্ষার্থীদের কৃতিত্ব

জামালপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:১৯ ৬ মার্চ ২০২১  

কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

২০২০ সালে তৃতীয় শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় নূরানি তালিমুল কোরআন বোর্ড চট্টগ্রামের অধীনে সারা দেশের মাদরাসাগুলোর সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে জামালপুর পৌরসভাধীন তিরুথা রওজাতুল উলূম মাদরাসার ৩৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই কৃতিত্বের সঙ্গে পাশ করেন। মেধা তালিকার সেরা ২০ এর মধ্যে রওজাতুল উলূম মাদরাসার দ্বিতীয়, তৃতীয় স্থানসহ ১২ জন শিক্ষার্থী শীর্ষস্থান অর্জন করে।

কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করতে শনিবার তিরুথা মাদরাসা প্রাঙ্গণে পুরস্কার বিতরণীর আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মাদরাসার সভাপতি এবং জামালপুর বড় মসজিদের ইমাম মুফতি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। 

আলোচনায় অংশ নেন সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম, মাদরাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পদাক মো. ইব্রাহিম, কোষাধ্যক্ষ মোহা. আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মাদরাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। আলোচনা সভা শেষে মেধাবীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

বোর্ডে মেধা তালিকার শীর্ষস্থান অর্জনকারী পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো- মো. মারুফ হোসেন দ্বিতীয়, মোছা. হুমাইরা তৃতীয়, মোছা. ফারজানা সপ্তম, মো. সোয়াইব অষ্টম, মোছা. রোকাইয়া ১১তম, মোছা. সাউদা ও মো. আ. রহিম যৌথভাবে ১২তম, মোছা. সাফিয়া সিদ্দিকা ১৩তম, মো. রাকিবুল রনি ১৫তম, মোছা. হাফছা সিদ্দিকা ১৬তম, মো. সাদিকুর ইসলাম ১৮তম এবং মোছা. হাফসা জান্নাত ১৯তম স্থান লাভ করে।

জানা যায় এ মাদরাসায় ধর্ম শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা, ইংরেজি, অংক সমানতালে পাঠদান এবং ক্রীড়া, সংগীতসহ অন্যান্য সহশিক্ষা প্রদান করা হয়। এছাড়া হাফেজ শিক্ষা এ মাদরাসার অন্যতম কার্যক্রম। শিক্ষার্থীদের হাতের লেখা, উপস্থাপনা সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয় বলে জানান শিক্ষকরা। ১৬ জন শিক্ষক দ্বারা পরিচালিত এ মাদরাসায় ৪১০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন।

শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় আলাদাভাবে মহিলা মাদরাসা নির্মাণ করা হচ্ছে। জামালপুর শহর থেকে ৪ কিলোমিটর দূরে অবস্থিত মনোরম পরিবেশে আধুনিক শিক্ষামান বজায় রেখে পাঠদান করা হয় বলে জানান প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হাফেজ মাওলানা সাইফুল ইসলাম।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে