বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মরণ সভায় না যাওয়ায় ছাত্রলীগ নেতাকে পেটালেন চেয়ারম্যান

ঢাকা, রোববার   ১৮ এপ্রিল ২০২১,   বৈশাখ ৬ ১৪২৮,   ০৫ রমজান ১৪৪২

বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মরণ সভায় না যাওয়ায় ছাত্রলীগ নেতাকে পেটালেন চেয়ারম্যান

নরসিংদী প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৪৪ ৩ মার্চ ২০২১   আপডেট: ১৬:৪৪ ৩ মার্চ ২০২১

সন্ত্রাসীদের মারধরে আহত ছাত্রলীগ নেতা সোহেল রানা

সন্ত্রাসীদের মারধরে আহত ছাত্রলীগ নেতা সোহেল রানা

নরসিংদীর শিবপুরে ছাত্রলীগ সভাপতি সোহেল রানাকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে উপজেলা চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশীদ খানের বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় উপজেলা জুড়ে সমালোচিত হচ্ছেন তিনি।

জানা গেছে, ২৭ ফেব্রুয়ারি শিবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান ফটিক মাস্টারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী ছিল। এ উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ফজলুর রহমান ফটিক মাস্টারের বাড়িতে স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়। ওই সভায় ছাত্রলীগ সভাপতি সোহেল রানাকে উপস্থিত থাকতে বলা হলেও তিনি অনুপস্থিত ছিলেন।

এ কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে মারধরের হুমকি দেন চেয়ারম্যান। পরদিন সকালে শিবপুর কলেজ গেট এলাকায় সোহেল রানাকে পিটিয়ে আহত করে একদল সন্ত্রাসী। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে শিবপুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ওইদিনই ঢাকায় পাঠানো হয় সোহেল রানাকে।

ভুক্তভোগী সোহেল রানার পরিবার জানায়, ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে দাঁতের চিকিৎসার জন্য ডাক্তার দেখাতে নরসিংদী গিয়েছিলেন সোহেল রানা। এ জন্য সকালের দলীয় কর্মসূচিতে যেতে পারেননি। কিন্তু বিকেলে একই বিষয়ে আয়োজিত আরেকটি সভায় উপস্থিত ছিলেন তিনি। উপজেলা চেয়ারম্যান বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে মোবাইলে মারধরের হুমকি দেন। পরদিন সকালেই সোহেল রানার ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয়।

অভিযুক্ত শিবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশীদ খান বলেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হয়েও সোহেল রানা দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ না করায় আমি কল দিয়ে রাগারাগি করেছি। কিন্তু তাকে পেটানোর জন্য কাউকে নির্দেশ দেইনি।

শিবপুরের সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম মোল্লা বলেন, সোহেল সকালে অসুস্থ ছিল, এ কারণে দলীয় কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকা দোষের কিছু না। এ জন্য তাকে হুমকি দেয়া ও সন্ত্রাসী দিয়ে পেটানো ঠিক হয়নি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর