৩৫ বছরেও নির্মিত হয়নি সেতুর সংযোগ সড়ক

ঢাকা, শনিবার   ১৭ এপ্রিল ২০২১,   বৈশাখ ৪ ১৪২৮,   ০৪ রমজান ১৪৪২

৩৫ বছরেও নির্মিত হয়নি সেতুর সংযোগ সড়ক

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:৪৫ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

৩৫ বছরেও নির্মিত হয়নি সেতুর সংযোগ সড়ক

৩৫ বছরেও নির্মিত হয়নি সেতুর সংযোগ সড়ক

নাটোরের গুরুদাসপুরের চাপিলা ইউপির চাকলবিলের মাঝে ৩৫ বছর আগে সেতু ও মাটির সড়ক নির্মিত হয়েছিল। বর্ষায় উত্তাল ঢেউয়ে সড়কটির অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে। সেতুটি ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকলেও নতুন করে সংযোগ সড়ক নির্মিত হয়নি। ফলে কাজে আসেছে না সেতুটি। বরং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সেতুটির অবকাঠামো।

এদিকে সেতুটির দুইপাশে নতুন করে সংযোগ সড়ক নির্মিত না হওয়ায় সেতুটির পাঁচ গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। এসব গ্রামের মানুষদের চার কিলোমিটার ঘুরে উপজেলা সদরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে নষ্ট হচ্ছে সময়, অর্থ এবং শ্রমঘন্টা ।

চাপিলা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মো. আবু জাফর মিয়া জানান, ১৯৮৪ সালে প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। ১৯৮৫ সালে উপজেলা পরিষদের এডিবি তহবিল থেকে চাকলের বিলের মাঝে সেতু ও মাটির সড়ক নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু ১৯৮৮ সালের বন্যায় মাটির সড়কটি বিলীন হয়ে হয়ে যায়। তারপর নতুন করে সড়ক নির্মিত হয়নি।

আবু জাফর মিয়া আরো বলেন, আগে চাকলের বিল কেন্দ্রিক মোকিমপুর, তেলটুপি, রওশনপুর, নওপাড়া,ঝাউপাড়া ও সোনাবাজু গ্রামের মানুষ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার বাইরে ছিলেন। এসব গ্রামের মানুষকে সরাসরি সড়ক যোগাযোগের আওতায় আনতে বিলের মাঝে সেতু ও সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। নানা কারণে সেতুকে ঘিরে নতুন করে সড়ক নির্মিত হয়নি। তাই এখনো অনেকটা যোগাযোগ বঞ্চিত রয়েছে ওই গ্রামের মানুষগুলো।

চাপিলা ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আলাল উদ্দিন ভুট্টু বলেন, চাকলের বিলের দক্ষিণপাশ দিয়ে ‘রওশনপুর-তেলটুপি’ গ্রামের মাঝ দিয়ে এক দশক আগে চাপিলা ইউপির সঙ্গে সদরের সংযোগ সড়কটি পাকা করা হয়েছে। এখন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ওই গ্রামের মানুষ এবং চাপিলা ইউনিয়ন এলাকার মানুষ প্রায় চার কিলোমিটার ঘুরপথে উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। চাকলেরবিলের মাঝ দিয়ে সড়কটি নির্মিত হলে এসব গ্রামের মানুষ সরাসরি উপজেলা সদর এবং চাপিলা ইউপির সঙ্গে সহজে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবে। আশা করছি অল্প দিনের মধ্যে সংযোগ সড়কের কাজ শুরু হবে। তাছাড়াও এ সংক্রান্ত দাবি এমপি মো. আব্দুল কুদ্দুসকে জানানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে এমপি মো. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, বৃহত জনগোষ্ঠীর কথাভেবে চাকলেরবিলের মাঝের সেতুটি সংস্কার ও নতুন করে সড়ক নির্মাণের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রকল্প অনুমোদন হলেই দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। তখন গ্রামগুলোর মানুষের দুর্ভোগ থাকবে না।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস