চড়ছে না ঘোড়ায়, কমছে কদর

ঢাকা, রোববার   ০৭ মার্চ ২০২১,   ফাল্গুন ২২ ১৪২৭,   ২২ রজব ১৪৪২

চড়ছে না ঘোড়ায়, কমছে কদর

এইচএম ফরিদুল আলম শাহীন, কক্সবাজার ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:৫৯ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

সমুদ্র সৈকতে ঘোড়া নিয়ে বসে আছেন মালিকরা

সমুদ্র সৈকতে ঘোড়া নিয়ে বসে আছেন মালিকরা

কক্সবাজার শহর ও সমুদ্র সৈকতে এক সময়ের ঘোড়ার গাড়ি এখন আর দেখা যায় না। এই বাহনটি প্রায় বিলুপ্তির পথে। আধুনিক যানবাহনের ভিড়ে এখন কেউই ঘোড়া কিংবা ঘোড়ায় চড়তে চান না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শহরের বাহারছড়ার দুটি ঘোড়ার মালিক জসিম উদ্দিন বলেন, বয়সের ভারে অধিকাংশ ঘোড়া নুয়ে পড়েছে। ফলে তাদের দিয়ে মালামাল আনানেয়া বা পর্যটকদের চড়িয়ে টাকা উপার্জন সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি আরো বলেন, কক্সবাজার শহরে ছোট-বড় ১৮ থেকে ২০টি ঘোড়া রয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই মালামাল বা যাত্রী পরিবহনের অযোগ্য। মাত্র ৫-৬টি ঘোড়া সৈকতে এখনো পর্যটকদের চড়িয়ে বাড়তি আনন্দ দিচ্ছে।

খাবার দিতে না পারায় মালিকরা রাস্তায় ছেড়ে দিয়েছেন ঘোড়া

ঘোড়ার অন্য এক মালিক জানান, ঘোড়ার পরিচর্যা, খাবার ও প্রশিক্ষণসহ যাবতীয় হিসাব করলে কোনো লাভ থাকে না। ফলে এ পেশা থেকে অনেকেই ছিটকে পড়েছেন। কারণ সমুদ্র সৈকতে এখন ইজিবাইক ও স্পিডবোটের ছড়াছড়ি।

তিনি আরো বলেন, এক সময় ঘোড়ায় চড়তে পর্যটকদের মাঝে তুমুল প্রতিযোগিতা ছিল। তবে এখন আধুনিক যান থাকায় ঘোড়ার কদর কমে গেছে। এতে ঘোড়ার মালিকরাও বিপাকে পড়েছেন। তাই ঘোড়াগুলোকে শহরের অলিগলিতে ছেড়ে দিয়েছেন। ময়লা আবর্জনা ও উচ্ছিষ্ট খাবার খেয়ে বেঁচে আছে তারা।

কক্সবাজারের সাবেক পৌর চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আবছার বলেন, এক সময় পর্যটকদের জনপ্রিয় বাহন ছিল ঘোড়া কিংবা ঘোড়ার গাড়ি। তখন ঘোড়ার সংখ্যাও ছিল চোখে পড়ার মতো। বর্তমানে ঘোড়া নেই বললেই চলে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর