হাতীবান্ধায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাচ্ছেন ৪২৫ পরিবার

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০৯ মার্চ ২০২১,   ফাল্গুন ২৪ ১৪২৭,   ২৪ রজব ১৪৪২

‘আল্লাহ হামার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভালো কইরবে’

হাতীবান্ধা (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২৩:২৭ ২২ জানুয়ারি ২০২১   আপডেট: ২৩:৫১ ২২ জানুয়ারি ২০২১

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

‘হামাক খুবই ভালো লাইগবার নাইগছে। হামরা বিল্ডিং ঘরোত থাইকবার পামো। এইল্যা হামরা কোনদিনও স্বপনোত ভাবোং নাই। আল্লাহ হামার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভালো কইরবে’। কথাগুলো বলছিলেন লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার পাটিকাপাড়া ইউপির ফরিউল ইসলাম। 

মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার জমি ও পাকাঘর প্রাপ্ত সুবিধাভোগী শুধু ফরিউল ইসলাম নয়, তার মতো ওই উপজেলায় জমি ও পাকা ঘর পাচ্ছেন ৪২৫ গৃহহীন পরিবার।

ওই উপজেলায় ৪২৫ টি ঘর প্রস্তুত করা হচ্ছে গৃহহীন পরিবারের জন্য। শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গৃহহীনদের কাছে এসব ঘর হস্তান্তর করবেন। সরকারের দেয়া পাকা ঘরে বসবাস করতে পারবেন ভেবে ভীষণ আনন্দিত ভূমিহীন মানুষগুলো।

বিভিন্নজনের দখলে থাকা সরকারি খাস জমি উদ্ধার করে সেখানে ভূমিহীন পরিবারগুলোর জন্যে তৈরি করা হচ্ছে পাকা ঘর। মুজিববর্ষ উপলক্ষে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কাছে তুলে দেয়া হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ উপহার।

উপজেলার আমঝোল গ্রামের বিধবা হাজরা বেগম, শিশু বালা, প্রতিবন্ধী মমিনুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া উপহার এই পাকা ঘর। এক সময় আমাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল না। এখন আমরা জমির মালিক হয়েছি। পাকা ঘর পাবো।

হাতীবান্ধা উপজেলার ইউএনও সামিউল আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার ঘরগুলোর তৈরির কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এগুলো ভূমিহীন পরিবারগুলোর কাছে হস্তান্তর করা হবে।

জানা গেছে, জেলার পাঁচ উপজেলায় ৯৭৮টি ঘর তৈরির কাজ চলছে পুরোদমে। সদর উপজেলায় ১৫০টি, আদিতমারীতে ১৩০টি, কালীগঞ্জে ১৫০টি, হাতীবান্ধায় ৪২৫টি ও পাটগ্রামে ১২৩টি ঘর তৈরি করা হচ্ছে। ৩৯৪ বর্গ ফুটের প্রতিটি ঘর তৈরিতে খরচ হচ্ছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা।

লালমনিরহাটের ডিসি আবু জাফর বলেন, জেলায় জরিপ চালিয়ে ‘ক’ শ্রেণির ৫ হাজার ৮১৩টি ভূমিহীন পরিবারের তালিকা করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৯৭৮টি পরিবার পাচ্ছেন সরকারি পাকা ঘর। বাকি পরিবারগুলোকেও পর্যায়ক্রমে সরকারি ঘর দেয়া হবে। সরকারের নকশা অনুযায়ী কাজের মান ঠিক রেখেই এসব ঘর তৈরি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে