লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে উত্তরবঙ্গে চা উৎপাদনে রেকর্ড

ঢাকা, সোমবার   ০৮ মার্চ ২০২১,   ফাল্গুন ২৩ ১৪২৭,   ২৩ রজব ১৪৪২

লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে উত্তরবঙ্গে চা উৎপাদনে রেকর্ড

রংপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:০৩ ২১ জানুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৯:২৫ ২১ জানুয়ারি ২০২১

চা বাগান (ফাইল ছবি)

চা বাগান (ফাইল ছবি)

২০২০ সালে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি চা উৎপাদন হয়েছে বাংলাদেশে। দেশের ১৬৭টি চা বাগান এবং ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে মোট ৮৬ দশমিক ৩৯ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে।

তবে এ বছর শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গে সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে রেকর্ড পরিমাণ ১০ দশমিক ৩০ মিলিয়ন কেজি চা জাতীয় উৎপাদনে যুক্ত হয়েছে, যা গত বছর ৯ দশমিক ৬০ মিলিয়ন কেজি ছিল। ২০২০ সালে উন্নয়নের পথনকশায় চায়ের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৫ দশমিক ৯৪ মিলিয়ন কেজি।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, কোভিড পরিস্থিতিতেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের সব চা বাগানের সার্বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল। এছাড়াও উৎপাদনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চা নিলাম কেন্দ্র চালু রাখা, সঠিক সময়ে ভর্তুকি মূল্যে সার বিতরণ, বাগানে কঠোরভাবে কোভিড প্রটোকল নিশ্চিতকরণ, চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, রেশন এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণের ফলে ২০২০ সালে চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতেও উৎপাদনের এ ধারাবাহিকতা থেকে এটাই প্রতীয়মান হয়, যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও দেশের চা শিল্প উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম। চা শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি জানান, উত্তরবঙ্গে চা চাষিদের ‘ক্যামেলিয়া খোলা আকাশ স্কুল’-এর মাধ্যমে চা আবাদ বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং আধুনিক প্রযুক্তি সরবরাহের ফলে সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।

বাংলাদেশ চা বোর্ড সূত্র জানায়, ২০১৯ সালে বাম্পার ফলনের ফলে দেশে ৯৬ দশমিক ৭ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছিল। ২০২০ সালে কোভিডের কারণে হোটেল-রেস্টুরেন্ট বা চায়ের দোকানে জনসমাগম কমে যাওয়ায় চায়ের চাহিদা প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

অপরদিকে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এ বছর চায়ের উৎপাদনও ১০ শতাংশ কমেছে। ফলে গত বছরের তুলনায় উৎপাদন কম হওয়া সত্ত্বেও বাজারে চায়ের চাহিদা ও যোগানে ভারসাম্য বজায় রয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএম/এইচএন