ইতালি যাওয়ার ফাঁদে পরে সর্বস্বান্ত হলেন সোহানা

ঢাকা, শনিবার   ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১,   ফাল্গুন ১৪ ১৪২৭,   ১৪ রজব ১৪৪২

ইতালি যাওয়ার ফাঁদে পরে সর্বস্বান্ত হলেন সোহানা

পটুয়াখালি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:১৩ ২১ জানুয়ারি ২০২১   আপডেট: ২১:২৬ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ইতালি যাওয়ার ফাঁদে পরে সর্বস্বান্ত হয়েছেন সোহানা নামের এক তরুণী। সোহানা বেগম দশমিনা উপজেলার চরহোসনাবাদ এলাকার মো. মজিবুর রহমানের মেয়ে ও তেজগাঁও মহিলা কলেজের ডিগ্রি শেষ বর্ষের ছাত্রী।

লেখাপড়ার সুবাদে ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকার জাবেদ আলীর মেয়ে মোসা. জান্নাতুল ফেরদাউসের সঙ্গে সোহানার পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্রধরে দুজনের মাঝে বন্ধুত্বর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে জান্নাতুল ফেরদাউস সোহানাকে ইতালি যাওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে আট লাখ টাকা দাবি করেন। পরে পাঁচ লাখ টাকায় সোহানা বেগমকে ইতালি পাঠানোর জন্য সমঝোতা হয়। 

সোহানার হতদরিদ্র বাবা মজিবুর রহমান জমি বিক্রি ও আত্মীয় স্বজনের কাছে ধারদেনা করে ২০১৯ সালের ১৫ই নভেম্বর তিন লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা দশমিনার বাড়িতে বসে আত্মীয় স্বজনের উপস্থিতিতে জান্নাতুলকে প্রদান করেন। পরে জান্নাতুল সোহানার সাথে টালবাহানা শুরু করে।

একপর্যায় জান্নাতুল টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করে সোহানাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকেন। এ ঘটনায় সোহানা বেগম ২০২০ সালের ৮ই নভেম্বর দশমিনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করলে বিচারক মো. আশিকুর রহমান জান্নাতুলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। ৯ই জানুয়ারি যাত্রাবাড়ি থানা পুলিশ জান্নাতুলকে গ্রেফতার করে। ১৪ জানুয়ারি ওই মামলায় একই আদালত থেকে জান্নাতুল জামিন পায়। 

সোহানা বেগম জানান, জামিন পাওয়ার পর মামলা তুলে নেয়ার জন্য অব্যাহতভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন জান্নাতুল ও তার চক্রের সদস্যরা। এ ঘটনায় সোহানা দশমিনা থানায় বুধবার একটি জিডি করেছেন। 

তিনি আরো জানান, বিদেশে মানুষ পাঠানোর নাম করে কয়েকশ মানুষের থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন জান্নাতুল ও তার চক্রের সদস্যরা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত জান্নাতুলকে একাধিকবার ফোন করলে বন্ধ পাওয়া গেছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস/জেডএম