কাহারোলে স্বপ্নের ঘর পাচ্ছে ১৩৯ ভূমিহীন পরিবার

ঢাকা, শনিবার   ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১,   ফাল্গুন ১৪ ১৪২৭,   ১৪ রজব ১৪৪২

কাহারোলে স্বপ্নের ঘর পাচ্ছে ১৩৯ ভূমিহীন পরিবার

কাহারোল (দিনাজপুর)  প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৩১ ২০ জানুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৮:০৯ ২০ জানুয়ারি ২০২১

প্রতিটি বাড়ি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা

প্রতিটি বাড়ি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে গৃহহীন পরিবারের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে গৃহহীনদের জন্য সেমিপাকা ১৩৯টি বাড়ি নির্মাণ কাজ এরই মধ্যে শেষ করেছে উপজেলা প্রশাসন। শুধুমাত্র বাকি রয়েছে ঘরগুলো হস্তান্তরের। 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় এসব বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি বাড়ি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে খাস জমিসহ ওইসব বাড়ি হস্তান্তর করবেন বলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলো পাচ্ছে তাদের স্বপ্নের নতুন ঠিকানা। এর ফলে মুখে হাসি ফুটছে ওই ভূমিহীন পরিবারগুলোর মাঝে। উপজেলার তালিকাভুক্ত ১৩৯টি পরিবার তাদের স্বপ্নের ঘর পাওয়ার এখন প্রহর গুনছে। 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, গৃহহীনদের জন্য নির্মিত বাড়িগুলোর কাজ প্রায় শেষের দিকে। শুধুমাত্র রয়েছে রঙের কাজ বাকি। ক’দিনের মধ্যেই রঙের কাজসহ যাবতীয় কাজ সম্পূর্ণ করা হবে বলে উপজেলা প্রশাসন জানায়।

উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ৩৩৯টি ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে ১৩৯টি পরিবার পাচ্ছে সেমিপাকা বাড়ি। ইউনিয়ন ভিত্তিক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের পুনর্বাসনের ভিত্তিতে উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ইউনিয়ন ভিত্তিক বাড়ি নির্মাণের ভূমিহীনদের নাম চূড়ান্ত করে ওই কমিটি।

উপজেলা কমিটি ডাবোর ইউনিয়নে ৫টি, রসুলপুরে ২০টি, মুকুন্দপুরে ৫১টি, তারগাঁও ইউনিয়নে ৩৬টি, সুন্দরপুর ইউনিয়নে ২টি, রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নে ২৫টি ঘর নির্মাণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। 

কাহারোলের ইউএনও মনিরুল হাসান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মীর মো. আল কামাহ্ তমাল, উপজেলা প্রকৌশলী নিমাই চন্দ্র বৈষ্ণব, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান, ইউএনও অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. কুতুব উদ্দীন প্রতিনিয়ত সরেজমিনে গিয়ে ঘর নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করছেন।

ইউএনও বলেন, অনেক বছর ধরে যাতে বাড়িগুলো সুরক্ষিত থাকে সে জন্য বাড়ি তৈরিতে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজ করা হয়েছে। বাড়ির ভিত্তি দেয়া হয়েছে গভীরে। রাজমিস্ত্রির কাজ প্রত্যক্ষ করতে নির্মাণ কমিটি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রয়েছে। এখন শুধু উদ্বোধন ও হস্তান্তরের অপেক্ষার পালা।

তিনি আরো বলেন, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে উপহার হিসেবে এই প্রকল্প অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঘরগুলো অসহায় পরিবারের মধ্যে বরাদ্দ দেয়া হবে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ/এইচএন