চিরিরবন্দরে রসুনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

ঢাকা, সোমবার   ০৮ মার্চ ২০২১,   ফাল্গুন ২৩ ১৪২৭,   ২৩ রজব ১৪৪২

চিরিরবন্দরে রসুনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

সুলতান মাহমুদ চৌধুরী, দিনাজপুর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০১:৫৪ ১৬ জানুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৭:০৯ ১৬ জানুয়ারি ২০২১

রসুন চাষে ঝুঁকেছেন চিরিরবন্দরের কৃষকরা

রসুন চাষে ঝুঁকেছেন চিরিরবন্দরের কৃষকরা

দেশের সর্বাধিক রসুন উৎপাদনকারী জেলা হিসেবে পরিচিত দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে এবারও কৃষকরা ব্যাপক হারে রসুনের আবাদ করেছেন। বিগত বছরগুলোতে চাষিরা নিজেদের উদ্ভাবিত বিনা হালে রসুন চাষ পদ্ধতিতে ব্যাপক সফলতা পাওয়ায় এবং উৎপাদিত রসুনের ভালো দাম পাওয়ায় এ মৌসুমেও তারা রসুন চাষে ঝুঁকেছেন।

এবার সেচ ও সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ এবং অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করায় ওই উপজেলায় রসুনের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে চিরিরবন্দর উপজেলায় ৪৫৭ হেক্টর জমিতে রসুনের চাষাবাদ হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবারও রসুনে ব্যাপক লাভবান হবেন কৃষকরা।

চিরিরবন্দর উপজেলার সাতনালা, বিন্যাকুড়ি, নশরতপুর, ফতেজংপুর, সাইতাড়া, আলোকডিহি তেতুঁলিয়া ও ভিয়েল গ্রামের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভালো দাম পাওয়ায় এ বছরও তারা ব্যাপক হারে রসুন আবাদ করেছেন। এবার রসুন বীজের অঙ্কুরোদগমও ভালো হয়েছে, চারা এখন দ্রুত বেড়ে উঠছে। এ কারণে সকাল-সন্ধ্যা রসুনের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কৃষকরা।

রসুন চাষি জাকির হোসেন জানান, প্রতি বিঘা জমিতে রসুন চাষে প্রায় ৩০ জন শ্রমিক লাগছে। তাদের মজুরি ও খাবার বাবদ খরচ হয় প্রায় ১০ হাজার টাকা। এছাড়া বীজ, রাসায়নিক সার ও সেচ দিতে আরো প্রায় ১৫ হাজার টাকা খরচ পড়ছে। ভালো ফলন হলে প্রতি বিঘা জমিতে ২৫-৩০ মণ রসুন পাওয়া যাবে। মৌসুমের শুরুতে দাম কিছুটা কম হলেও পরবর্তীতে প্রতি মণ রসুন ২-৩ হাজার টাকা দরে বিক্রি করা যাবে। এতে বিঘা প্রতি সব খরচ বাদে ৬০ হাজার টাকা লাভ থাকবে।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, বর্তমানে চিরিরবন্দরে কৃষকদের কাছে রসুন প্রধান ফসল হয়ে উঠেছে। বিগত কয়েক বছরের মতো এবারও রসুনের উৎপাদন বাড়বে বলে আশা করছি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর/এইচএন