হেলেদুলে চলে গাড়ি

ঢাকা, শনিবার   ২৩ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ১০ ১৪২৭,   ০৮ জমাদিউস সানি ১৪৪২

রায়পুর-বিরামপুর সড়ক

হেলেদুলে চলে গাড়ি

এম.আর সুমন, রায়পুর ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৪৩ ১২ জানুয়ারি ২০২১  

সড়কের বেহাল দশা

সড়কের বেহাল দশা

সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ-খোয়া উঠে গেছে। সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত। এসব গর্ত দিয়েই হেলেদুলে চলে গাড়ি। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের। এমনই বেহাল দশা রায়পুর-বিরামপুর সড়কের। চার বছর ধরে সড়কটি সংস্কারের কোনো ছোঁয়া লাগেনি।

রায়পুর ও ফরিদগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী পশ্চিম আলোনিয়া গ্রামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম বিরামপুর বাজার সড়ক। ১০ বছর আগে পাঁচ কিলোমিটার এ সড়কটি নির্মাণ করে এলজিআরডি বিভাগ। এর মধ্যে রায়পুর উপজেলা অংশে দুই কিলোমিটার ও ফরিদগঞ্জ উপজেলা অংশে তিন কিলোমিটার রয়েছে।

সড়কটি দিয়ে রায়পুর উপজেলার শতাধিক গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষের যাতায়াত। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিনই রায়পুর শহরে আসেন বেশিরভাগ মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় সড়কটির পুরো অংশজুড়ে খানাখন্দে ভরা। কার্পেটিং ও ইট-খোয়া উঠে বালুর মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় গর্ত।

প্রতিনিয়ত এ সড়ক দিয়ে শত শত রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করে। বালু ওড়ার কারণে পথচারীদের চলতে হয় নাকে কাপড় দিয়ে। আর একটু বৃষ্টি হলে খানাখন্দে জমে থাকে পানি। ফলে ঘটে বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনা।

স্থানীয় শিক্ষক ফিরোজ আলম জানান, এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের হাজারো শিক্ষার্থী চলাচল করে। পিচ-খোয়া উঠে যাওয়ায় গাড়ি চালাতে চালকদের যেমন কষ্ট হয়, তেমনি কষ্ট হয় পথচারীদেরও।

অটোচালক আমিন হোসেন ও জোবায়ের বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা এ সড়ক দিয়ে অটো চালাই। আমাদের গাড়িতে অনেক সময় রোগীরা উঠেন। কিন্তু কার্পেটিং উঠে যাওয়ায় পথে তাদের নামাতে হয়। এছাড়া ভালো মানুষও এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে চান না। অনেকে বাধ্য হয়ে চলাচল করেন।

রায়পুর ইউপি চেয়ারম্যান সুমন চৌধুরী ও আলোনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. বাছেদ বলেন, ব্যস্ততম এ সড়ক দিয়ে রায়পুরে যাতায়াত করেন দুই ইউনিয়নের বেশিরভাগ মানুষ। বেহাল সড়কটি মেরামতের জন্য চার বছর ধরে স্থানীয় এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা-উপজেলার সংশ্লিষ্ট দফতরে লিখিতভাবে জানিয়েও কোনো পদক্ষেপ মেলেনি।

উপজেলা প্রকৌশলী হারুনুর রশিদ বলেন, সড়কটি রায়পুর অংশের উন্নয়নে বরাদ্দ চেয়ে প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলে রায়পুরের অংশে কাজ শুরু হবে।

চাঁদপুরের এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইউনুস হোসেন বিশ্বাস বলেন, ফরিদগঞ্জ-রায়পুর উপজেলার সীমান্তবর্তী রায়পুর ও পশ্চিম আলোনিয়া ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি সম্পর্কে জানা নেই। কাগজপত্র দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর