ঢাকা,  রোববার   ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

একসঙ্গে ৬ লাশ, থামছে না স্বজনদের আহাজারি

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২২:২৫, ৪ ডিসেম্বর ২০২০
একসঙ্গে ৬ লাশ, থামছে না স্বজনদের আহাজারি
স্বজনের আহাজারি

নাতনিকে ডাক্তার দেখাতে অটোরিকশায় করে বাড়ি থেকে বের হন একই পরিবারের ছয়জন। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই বাসের ধাক্কায় লাশ হলেন সবাই। এ ঘটনায় তাদের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে বাতাস।

শুক্রবার বিকেলে হৃদয়বিদারক এ ঘটনা ঘটে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার চকমিরপুর ইউনিয়নের মূলকান্দি এলাকায়।

নিহতরা হলেন- টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার চাষাভাদ্রা গ্রামের হরেকৃষ্ণ বাদ্যকার, তার ছেলে গোবিন্দ বাদ্যকার, পুত্রবধূ ববিতা বাদ্যকার, নাতনি রাধে রানী, ভাইয়ের স্ত্রী খুশী রানী ও ভাতিজা রায় প্রকাশ এবং অটোচালক জামাল শেখ।

এদিকে, স্বামীর শোকে পাথর হয়ে গেছেন হরেকৃষ্ণ বাদ্যকারের স্ত্রী আরতি বাদ্যকার। পরিবারের সবাইকে হারিয়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। সান্ত্বনা দিয়েও তাকে থামানো যাচ্ছে না।

স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার দুপুরে অসুস্থ নাতনির চিকিৎসার জন্য স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হন হরেকৃষ্ণ বাদ্যকার। তারা দৌলতপুর থেকে সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশা ভাড়া করে মানিকগঞ্জে যাচ্ছিলেন। বিকেলের দিকে টাঙ্গাইল-আরিচা আঞ্চলিক মহাসড়কের দৌলতপুরের মূলকান্দি এলাকায় পৌঁছালে তাদের অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয় ভিলেজ লাইন পরিবহনের একটি বাস। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে ঘটনাস্থলেই সাতজন নিহত হন।

দৌলতপুর থানার ওসি মো. রেজাউল করিম বলেন, লাশগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাসটি উদ্ধার করা গেলেও চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআর
Durga Puja
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!