সাঁকো যেন ‘মরণ ফাঁদ’

ঢাকা, শনিবার   ২৩ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ১০ ১৪২৭,   ০৮ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সাঁকো যেন ‘মরণ ফাঁদ’

মো. আবুল বাসার আব্বাসী, মানিকগঞ্জ ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১০:৪০ ২৮ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ১০:৪৩ ২৮ নভেম্বর ২০২০

ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হচ্ছেন এলাকাবাসী

ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হচ্ছেন এলাকাবাসী

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার যাত্রাপুর এলাকায় ইছামতি নদীর উপর নির্মিত সংস্কার বিহীন বাঁশের সাঁকোটি এলাকাবাসীর জন্য এখন ‘মরণ ফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। সাঁকো পারাপারে জনসাধারণের দুর্ভোগ দিন দিন বেড়েই চলেছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

প্রায় সাত বছর আগে ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে আরসিসি করে কাঠ দিয়ে সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের দুই বছর না যেতেই সাঁকোটির কাঠের চালি নষ্ট হয়ে যায়। এলাকাবাসী কাঠের পরিবর্তে বাঁশ দিয়ে কোনো রকম জুড়াতালি দিয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে।

স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানান, মানিকগঞ্জ জেলা শহরসহ হরিরামপুর উপজেলার সঙ্গে চালা ও বয়রা ইউনিয়ন বাসির যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এই বাঁশের সাঁকো। প্রতিদিন দুই শতাধিক স্কুল শিক্ষার্থী, দুটি ইউনিয়নের হাজারো মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাঁকোটি পারাপার হচ্ছে। এরই মধ্যে সাঁকো থেকে পড়ে অনেকেরই হাত-পা ভেঙেছে।

পশ্চিম খলিলপুর গ্রামের মো. হারেজ মিয়া জানান, ভাঙা বাঁশের সাঁকো পার হতে গিয়ে নিচে পড়ে তার হাত ভেঙে যায়। তার মতো অনেকেই এমন দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। জনসাধারণের যাতায়াতের সুবিধার্থে জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানটিতে একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানান তিনি।

এ ব্যাপারে চালা ইউপি চেয়ারম্যান সামসুল আলম বিশ্বাস বলেন, কয়েক বছর আগে ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদফতর থেকে একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছিল। কিন্ত দৈর্ঘ্য বেশি হওয়ায় ব্রিজ করা সম্ভব হয়নি।

বয়ড়া ইউপি চেয়রম্যান জাহিদুর রহমান তুষার বলেন, কাঠের সাঁকোর পরিবর্তে পাকা ব্রিজের জন্য একটি প্রকল্প দিয়ে ছিলাম। কিন্তু বড় কাজ বলে এটা ইউনিয়ন পরিষদের এখতিয়ার বহির্ভূত। তাই সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে হরিরামপুরের ইউএনও সাবিনা ইয়াসমিন জানান, বয়ড়া ও চালা ইউনিয়নের মধ্যবর্তী সড়কটি এলজিইডির দায়িত্বে। যাত্রাপুর এলাকায়  ইছামতি নদীর উপর একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণের জন্য তাদের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। ব্রিজ নির্মাণের প্রকল্প দ্রুতই বাস্তবায়ন হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ