হত্যার পর শিখার বিবস্ত্র লাশ মাটি চাপা দেন মোকসেদ

ঢাকা, রোববার   ১৭ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ৩ ১৪২৭,   ০২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

হত্যার পর শিখার বিবস্ত্র লাশ মাটি চাপা দেন মোকসেদ

গাজীপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১০:৫৭ ২৫ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ২০:২৭ ১২ ডিসেম্বর ২০২০

নিহত শিখা আক্তার

নিহত শিখা আক্তার

পাওনা দেড় লাখ টাকা ফেরত চাইলে মোকসেদ আলী এবং শিখা আক্তারের মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। এর প্রেক্ষিতে মোকসেদ টাকা ফেরত না দিয়ে শিখাকে গজারী বনের ভেতর নিয়ে ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে সহযোগীদের নিয়ে বিবস্ত্র করে লাশ পুকুর পাড়ে গর্ত করে মাটি চাপা দিয়ে রাখেন। 

প্রায় দুই বছর আগে খুন হন শিখা। তার হত্যার রহস্য মোকসেদ আলীসহ তার সহযোগী জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করে উদঘাটন করেছে পিবিআই। মঙ্গলবার বিকেলে তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। 

গ্রেফতার মোকসেদ আলী গাজীপুর মহানগরীর পোড়াবাড়ি পূর্বপাড়া এলাকার জহির উদ্দিনের ছেলে এবং জাহাঙ্গীর হোসেন একই এলাকার মো. আলমাছ উদ্দিনের ছেলে। 

পিবিআইয়ের গাজীপুর ইউনিটটের ইনচার্জ এসপি মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান জানান, ২০১৮ সালের ১৩ ডিসেম্বর মহানগরীর সদর থানার পোড়াবাড়ী পূর্বপাড়া (কোনাপাড়া) এলাকার জাকির হোসেনের পুকুর পাড়ে মাটিচাপা অবস্থায় অজ্ঞাত পরিচয় এক নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। দুইদিন পর এ ঘটনায় মামলা করে পুলিশ। 

পরে পুলিশ জানতে পারে লাশটি দুবাই প্রবাসী কাপাসিয়াল আড়াল গ্রামের আল আমিনের স্ত্রী শিখা আক্তারের। তিনি নগরীর ইপসা গেইট এলাকার আনোয়ার হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। পরে মামলাটি গাজীপুর পিবিআই তদন্তের দায়িত্ব পায়। তদন্তের এক পর্যায়ে নগরীর বাসন থানার টেকনগপাড়া থেকে মোকসেদ আলীকে এবং পোড়াবাড়ির কোনাপাড়া থেকে সোমবার সকালে জাহাঙ্গীর হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। মোকসেদ ও জাহাঙ্গীরকে নিয়ে শিখাকে হত্যার কথা স্বীকার করে।

ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে গরু কেনার জন্য তিনি শিখার কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা ধার নিয়েছিলেন। ওই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে দূরত্ব সৃষ্টি হলে তিনি শিখাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস/জেডএম