এক সেতুর অভাবে ৩২ বছর

ঢাকা, রোববার   ২৪ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ১০ ১৪২৭,   ০৯ জমাদিউস সানি ১৪৪২

এক সেতুর অভাবে ৩২ বছর

জামালপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১২:১১ ২৪ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ২০:০৩ ১২ ডিসেম্বর ২০২০

বন্যায় সেতু ভেঙে যাওয়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে সাঁকো নির্মাণ করে গ্রামবাসী

বন্যায় সেতু ভেঙে যাওয়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে সাঁকো নির্মাণ করে গ্রামবাসী

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় একটি সেতুর অভাবে ৩২ বছর ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে পাঁচটি গ্রামের মানুষ। বন্যায় কংক্রিটের সেতু ভেঙে যাওয়ায় হাতিভাঙ্গা ইউনিয়নের চকপাড়া, নয়াগ্রাম, দক্ষিণ ভাতখাওয়া, মণ্ডলপাড়া ও সরকারপাড়ার মানুষের স্বেচ্ছাশ্রমে তৈরি সাঁকোই একমাত্র যাতায়াতের পথ।

দীর্ঘদিন ব্যবহারের কারণে সাঁকোটিও এখন নড়বড়ে হয়ে গেছে। সেখানে নতুন একটি পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী কয়েক হাজার মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রায় ১০ হাজার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা সাঁকোটি সঠিক মেরামতের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এ সাঁকো দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে হেঁটে চলাচলের পাশপাশি ভ্যানে করে যাত্রী-পণ্য পরিবহন করে গ্রামবাসী।

নয়াগ্রামের বাসিন্দা জহির উদ্দিন খান বলেন, ১৯৮৮ সালের বন্যায় সেতুটা ভেঙে গেছে। ৩২ বছর ধরে কেউ নতুন সেতু নির্মাণের ব্যবস্থা করেনি। নড়বড়ে সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। শিশু-বৃদ্ধ-অসুস্থদের জন্য তো ভোগান্তি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

চকপাড়ার কৃষক মাসুদ, আলী আকবর জানান, এ সাঁকো দিয়ে ফসল ও বিভিন্ন পণ্য পরিবহনে অনেক সমস্যা হয়। বাড়তি শ্রমিক প্রয়োজন হয়। এতে খরচ-কষ্ট দুটোই বাড়ে। একটি সেতু হলে সবার কষ্ট কমে যাবে।

জামালপুর জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা নায়েব আলী জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সব সেতু-কালভার্টের তালিকা তৈরি করতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলো অনুমোদন হলে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর/জেডএম