ইউএনও ওয়াহিদার ওপর হামলা: রবিউলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৪ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১১ ১৪২৭,   ০৭ রবিউস সানি ১৪৪২

ইউএনও ওয়াহিদার ওপর হামলা: রবিউলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

দিনাজপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২৩:১৬ ২১ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ২৩:১৭ ২১ নভেম্বর ২০২০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবার ওপর হামলার ঘটনায় একমাত্র আসামি রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ।

শনিবার দুপুরে দিনাজপুরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (আমলী আদালত-৭)-এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির ওসি ইমাম আবু জাফর।

তিনি জানান, এই মামলার সবদিক বিবেচনা করে এবং নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ঘটনার একমাত্র পরিকল্পনাকারী এবং হামলাকারী আসামি রবিউল ইসলাম। এজন্য তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।  
  
গত ২ সেপ্টেম্বর রাত ২টার দিকে সরকারি ডাকবাংলাতে ঘোড়াঘাট ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলী শেখের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় তাদেরকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে দুপুর ১টায় হেলিকপ্টার যোগে জাতীয় নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় গত ৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ভাই শেখ ফরিদ বাদী হয়ে ঘোড়াঘাট থানায় একটি মামলা করেন। ১১ সেপ্টেম্বর দায়িত্বে অবহেলা ও কাজে গাফিলতির অভিযোগে ঘোড়াঘাটের ওসি আমিরুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়। এদিন রাতে জেলার বিরল উপজেলার বিজোড়া ইউপির বিজোড়া গ্রামের খতিব উদ্দীনের ছেলে ও ঘোড়াঘাটের ইউএনও বাসভবনের সাবেক কর্মচারী রবিউল ইসলামকে আটক করা হয়।

গত ১২ সেপ্টেম্বর পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য, দিনাজপুর পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন একটি প্রেস ব্রিফিং করে সাংবাদিকদেরকে জানান, হামলার ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ও জড়িত রবিউল ইসলাম।

আদালতের মাধ্যমে দুই দফায় রবিউলকে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। অবশেষে ২০ সেপ্টেম্বর দিনাজপুর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (আমলী আদালত-৭)-এর বিচারক ইসমাইল হোসেনের কাছে দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন রবিউল। পরে এই মামলার সাথে সিসি ফুটেজ, মোবাইল নেটওয়ার্ক, ফরেনসিক রিপোর্ট, ব্যবহৃত হাতুড়িসহ ৩১টি আলামতের মাধ্যমে পুলিশ নিশ্চিত হয়, এই ঘটনার সঙ্গে একমাত্র রবিউলই জড়িত।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে