বেগুন চাষে ভাগ্য বদল

ঢাকা, বুধবার   ২০ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ৭ ১৪২৭,   ০৫ জমাদিউস সানি ১৪৪২

বেগুন চাষে ভাগ্য বদল

পিরোজপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৭:২০ ১ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ০৭:২২ ১ নভেম্বর ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার পত্তাশী গ্রামের বেগুন চাষি জিল্লুর রহমান শান্তি প্রথমে ৭০ শতক জমিতে শুরু করেন ভাঙ্গর জাতের বেগুন চাষ।

এর আগে জিল্লুর রহমান প্রথম কলা চাষ শুরু করেন দুই বিঘা জমিতে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ বুলবুল, আম্পানের তাণ্ডবে স্বপ্ন মিশে যায় মাটিতে। এরপর ইন্দুরকানী উপজেলা কৃষি অফিসের উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা ইব্রাহীম সরদারের কাছে গেলে তিনি বেগুন চাষের পরামর্শ দেন।

চাষি জিল্লুর রহমান কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইন্সটিটিউট খুলনা প্রকল্প থেকে সার ও বিজ কেনা বাবদ ১ হাজার ৭০০ টাকা বরাদ্দ পান। এ টাকা দিয়ে তিনি শুরু করেন ভাঙ্গর জাতের বেগুন চাষ। ৭০ শতাংশ জমিতে চারা লাগান ৮ শ’। 

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ইব্রাহীম সরদার বলেন, সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে প্রতি শতকে ২শ’ কেজি বেগুন উৎপাদন করা সম্ভব। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চাষি জিল্লুর রহমান ৭০ শতক জমির বেগুনের ক্ষেত থেকে ১৪ মেট্রিক টন বেগুন পাবেন। যা বিক্রি করে ৫ থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা আয় হবে।

জিল্লুর রহমান বলেন, প্রতি সপ্তাহে ক্ষেত থেকে ১০-১২ মণ বেগুন তুলছি। বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২০ থেকে ২৪ হাজার টাকায়। খরচ বাদ দিয়ে থাকে ১৬-২০ হাজার টাকার মতো। জৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত ক্ষেত থেকে বেগুন তুলতে পারবো। আশা করি ৪ লাখ টাকার বেশি আয় হবে।

জিল্লুর রহমান বলেন, বেগুন চাষের ক্ষেত্রে ইন্দুরকানী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়রা সিদ্দিকা বিভিন্ন সময় অনেক পরামর্শ দিয়েছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হুমায়রা সিদ্দিকা বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনার আঘাতের পর খাদ্য ও পুষ্টির অভাব পূরণে কাজ করছি। সরকারিভাবে অনেক রকমের প্রণোদনা দিচ্ছি। চাষিদের সার, বিজ, চারাসহ আর্থিক সহযোগিতা করছে সরকার। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে