১ নভেম্বর খুলছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান 

ঢাকা, শুক্রবার   ২৭ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৪ ১৪২৭,   ১০ রবিউস সানি ১৪৪২

১ নভেম্বর খুলছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান 

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১০:৪১ ২৯ অক্টোবর ২০২০  

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান-ফাইল ফটো

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান-ফাইল ফটো

দর্শনার্থীদের জন্য আগামী ১ নভেম্বর খুলে দেয়া হচ্ছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান।

এর আগে করোনাভাইরাসে কারণে গত ১৯ মার্চ বন অধিদফতরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. শফিউল আলম চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে পর্যটকদের প্রবেশ সাময়িক বন্ধ করা হয়।

পর্যটক ও বন্যপ্রাণী গবেষকদের প্রিয় প্রাঙ্গণ লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানটি এ বছরের ২০ মার্চ থেকেই বন্ধ আছে।

প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের উদ্যানটি দীর্ঘদিন ছিল নীরব, নিস্তব্ধ। দীর্ঘদিন পর্যটকশূন্য থাকায় লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান আগের পরিবেশে ফিরে গেছে। ফলে মনের আনন্দে বন্যপ্রাণী এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে উদ্যানের ভেতর সমতলে ও গাছ থেকে গাছের ডালে।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, আগামী ১ নভেম্বর থেকে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে, এমন সিদ্ধান্তের কথা আমি মন্ত্রণালয় থেকে শুনেছি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলেই এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে। শুধু লাউয়াছড়াই নয়, সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জাতীয় উদ্যানেও একই সিদ্ধান্ত ঘোষিত হবে। কয়েক দিন পরই পর্যটকেরা এখনকার বন ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।

মৌলভীবাজার বন্যপ্রাণী রেঞ্জ সূত্র জানায়, ১৯১৭ সালে পশ্চিম ভানুগাছের ১ হাজার ২৫০ হেক্টর বনভূমিকে প্রাথমিকভাবে সংরক্ষিত সম্পদ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপর ১৯২৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষণা এবং পরে ১৯৯৬ সালে ১ হাজার ২৫০ হেক্টর জায়গা নিয়ে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করা হয়। বনের চারপাশ ঘিরে চা বাগান, হাওর, সংরক্ষিত বন ও বনসংলগ্ন গ্রাম রয়েছে।

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে রয়েছে ১৬৭ প্রজাতির উদ্ভিদ এবং ২৪৬ প্রজাতির আবাসিক এবং পরিযায়ী পাখি।

এছাড়া রয়েছে কয়েক প্রজাতির স্তন্যপায়ী, সরীসৃপ এবং উভচর প্রাণী। এগুলোর মধ্যে অন্যতম মহাবিপন্ন উল্লুক, মুখপোড়া হনুমান, লজ্জাবতী বানর, বনরুইসহ বিরল প্রজাতির বিপন্ন প্রাণী।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএইচ