তরুণীকে কৌশলে তুলে নিয়ে টানা ৫ দিন ধর্ষণ, বাঁচতে ভুয়া বিয়ে

ঢাকা, শুক্রবার   ২৭ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৩ ১৪২৭,   ১০ রবিউস সানি ১৪৪২

তরুণীকে কৌশলে তুলে নিয়ে টানা ৫ দিন ধর্ষণ, বাঁচতে ভুয়া বিয়ে

ফরিদপুর প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৫:২৪ ২৬ অক্টোবর ২০২০  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুরের সালথায় এক তরুণীকে গাড়িতে তুলে নিয়ে টানা পাঁচদিন ধর্ষণের পর নিজেকে বাঁচাতে ভুয়া বিয়ে করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় সালথা থানায় অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা করেছেন ওই তরুণীর বাবা। রোববার সকালে আসামি ও ভুয়া কাজীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জানা যায়, ওই তরুণীর বাড়ি উপজেলার রামকান্তুপুর ইউপিতে। ওই তরুণীর সঙ্গে সম্প্রতি মুঠোফোনে একই উপজেলার যদুনন্দী ইউপির খারদিয়া গ্রামের এনায়েত হোসেন মৃধার পরিচয় হয়। গত ২ অক্টোবর বিকেলে ওই তরুণীকে স্থানীয় বাহিরদিয়া বাজার এলাকা থেকে কৌশলে গাড়িতে উঠিয়ে ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় নিয়ে যায় এনায়েত।

সেখানে বাসা ভাড়া নিয়ে ওই তরুণীকে বিয়ে প্রলোভন দেখিয়ে টানা ৫ দিন একাধিকবার ধর্ষণ করে এনায়েত। এরপর ধর্ষণের অভিযোগ থেকে নিজেকে বাঁচাতে গত ৮ অক্টোবর ঢাকার আশুলিয়া থেকে সালথার পার্শ্ববর্তী বোয়ালমারীতে উপজেলায় এসে এক ব্যক্তিকে ভুয়া কাজী ও ওই কাজীর ভাইকে ভুয়া সাক্ষী বানিয়ে তরুণীর কাছ থেকে সু-কৌশলে স্বাক্ষর নিয়ে একটি সাজানো কাবিননামা তৈরি করেন এনায়েত। পরে তারা স্বামী-স্ত্রী সেজে বাড়িতে আসেন। বাড়ি আসার পর ওই তরুণীকে তার বাবার বাড়িতে দিয়ে আসে এনায়েতের পরিবার।

মো. এনায়েত হোসেন মৃধা একজন মাংস ব্যবসায়ী। তিনি এ পর্যন্ত অন্তত ৫টি বিয়ে করেছেন। তার প্রত্যেক স্ত্রীরই ছেলে-মেয়ে রয়েছে।

সালথা থানার পুলিশ রোববার সকালে প্রথমে এনায়েতকে গ্রেফতার করে বোয়ালমারী উপজেলার ময়েনদিয়া বাজার এলাকা থেকে। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বোয়ালমারী উপজেলার সদর ইউপির চালিনগর গ্রাম থেকে কথিত কাজী বসিরুল ইসলাম ও তার ভাই হোসাইন মোল্লাকে গ্রেফতার করে।

সালথা থানার ওসি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, মামলা হওয়ার পর এনায়েত, কথিত কাজী ও কাবিননামায় সাক্ষী ওই কাজীর ভাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওই কাবিননামায় সাক্ষী হিসেবে আরো দুইজনের নাম রয়েছে তাদের গ্রেফতার চেষ্টা চলছে।
 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে