নিরাপদে আছেন সেন্টমার্টিনে আটকা পড়া ৪ শতাধিক পর্যটক

ঢাকা, রোববার   ২৯ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৫ ১৪২৭,   ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

নিরাপদে আছেন সেন্টমার্টিনে আটকা পড়া ৪ শতাধিক পর্যটক

কক্সবাজার প্রতিনিধি  ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২৩:২৪ ২৩ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ২৩:২৯ ২৩ অক্টোবর ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে সেন্টমার্টিনে বেড়াতে গিয়ে আটকা পড়া প্রায় ৪ শতাধিক পর্যটক নিরাপদে আছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

দেশের সমুদ্র উপকূলকে ৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।  

সেন্টমার্টিনদ্বীপের ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানিয়েছেন, বৈরি আবহাওয়ার কারণে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে। 

আবহাওয়া অফিস থেকে সমুদ্র উপকূলকে ৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। তাই তারা সেখানে আটকা পড়েন। বর্তমানে দ্বীপে  প্রায় চার শতাধিক পর্যটক বিভিন্ন রিসোর্টে রয়েছেন। তারা নিরাপদে রয়েছেন। তাদের কোনো সমস্যা হচ্ছে না। সাগরের পরিস্থিতি ভালো হলে তারা নিরাপদে কক্সবাজারে ফিরে যেতে পারবেন।

দ্বীপের বাসিন্দা  জয়নাল আবেদীন বলেন, সাগর উত্তাল ও বৈরি আবহাওয়ায় কক্সবাজার থেকে জাহাজ না আসায় দ্বীপে চার শতাধিক পর্যটক অবস্থান করছেন। এর মধ্যে গত বুধবার ৩শ’ জনের একটি পর্যটক দল তিন দিনের ভ্রমণে আসেন সেন্টমার্টিনে। তবে পর্যটকরা বিভিন্ন হোটেলে নিরাপদে আছেন। সাগর স্বাভাবিক হয়ে গেলে পর্যটকরা ফিরে যাবেন। তাছাড়া সকাল থেকে দ্বীপে ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়।

টেকনাফের ইউএনও মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, হুঁশিয়ারি সংকেত উপেক্ষা করে সেন্টমার্টিন দ্বীপে যে সব পর্যটক রয়ে গেছেন তারা যাতে কোনো সমস্যায় না পড়েন সে ব্যপারে সেন্টমার্টিন পুলিশ ও স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আটকে পড়া পর্যটকদের সাশ্রয় মূল্যে থাকা এবং খাওয়ার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহমান জানান, সাগরে লঘুচাপের কারণে সমুদ্র বন্দরসমুহকে ৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। লঘুচাপের কারণে সাগর উত্তাল রয়েছে। কক্সবাজারে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে।  বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবারও ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে।

দ্বীপে পর্যটকরা নিরাপদে রয়েছেন উল্লেখ করে সেন্টমার্টিন পুলিশ ইনচার্জ তারেক মাহমুদ বলেন, সেন্টমার্টিনে প্রায় ৪১৩ জন পর্যটক আটকে পড়েছেন।  আটকে পড়া পর্যটকদের খোঁজখবর রাখা হচ্ছে এবং তাদের সমুদ্র না নামতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এদিকে কক্সবাজার থেকে কর্ণফুলী এক্সপ্রেস নামে একটি পর্যটবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি ফেলেও এখন পর্যন্ত টেকনাফ থেকে কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি পায়নি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে