মৃত্যুর রহস্য জানতে ৪০ দিন পর তোলা হলো রোজিনার লাশ

ঢাকা, সোমবার   ৩০ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৬ ১৪২৭,   ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

মৃত্যুর রহস্য জানতে ৪০ দিন পর তোলা হলো রোজিনার লাশ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:৪৬ ২২ অক্টোবর ২০২০  

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কবর থেকে রোজিনার লাশ উত্তোলন করে পিবিআই

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কবর থেকে রোজিনার লাশ উত্তোলন করে পিবিআই

মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করতে আদালতের নির্দেশে দাফনের ৪০ দিন পর কবর থেকে তোলা হলো নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার এইচএম সেন রোড এলাকার আব্দুল জাব্বার সরদারের মেয়ে রোজিনা আক্তারের লাশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতে কল্যান্দি কবরস্থান থেকে মরদেহ তুলে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পিবিআই।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবু সায়েম।

তিনি জানান, আদালতের মাধ্যমে মামলাটি পিবিআই-এর হাতে আসে। পরে সুষ্ঠু তদন্তের জন্য মরদেহ তোলার আবেদন করা হয়। পরে বন্দর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা সুলতানা শারমিনের উপস্থিতিতে কল্যান্দি কবরস্থান থেকে লাশ তুলে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নিহত রোহিনা আক্তারের বড় ভাই মাসুদ বলেন, ৭ বছর আগে বন্দরের রাজবাড়ি এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মুরাদের সঙ্গে আমার বোনের বিয়ে হয়। ওদের ঘরে একটি সন্তানও রয়েছে। ৪০ দিন আগে তার মারা যায়। রোজিনার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানায়- সে স্ট্রোক করে মারা গেছে। স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে ভেবে আমরাও তাকে দাফন করি। পরে জানতে পারি আমার বোনকে নির্যাতন মেরে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনায় আমি রোজিনার স্বামী-শাশুড়িসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করি।

পিবিআই কর্মকর্তা আবু সায়েম জানান, এ মামলার আসামিরা হলেন- নিহত রোজিনা আক্তারের স্বামী মুরাদ, শাশুড়ি পিয়ারা বেগম, একই উপজেলার সালেহনগর এলাকার দ্বীল মোহাম্মদ মিয়ার ছেলে কুতুব উদ্দিন, তার স্ত্রী জিয়াসমিন, ছেলে লারসন। তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দোষীদের শনাক্ত করে শিগগিরই আইনের আওতায় আনা হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর