পুরো পরিবারকে চেতনানাশক দই খাইয়ে ফুফাতো বোনকে ধর্ষণ

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৭ ১৪২৭,   ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

পুরো পরিবারকে চেতনানাশক দই খাইয়ে ফুফাতো বোনকে ধর্ষণ

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:০২ ২১ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ১৫:১২ ২১ অক্টোবর ২০২০

ভুক্তভোগী কিশোরীর বাড়ি

ভুক্তভোগী কিশোরীর বাড়ি

ময়মনসিংহে পুরো পরিবারকে চেতনানাশক মেশানো দই খাইয়ে প্রতিবেশী ফুফাতো বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ময়মনসিংহ সদরের চর হাসাদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত জাকারিয়া পলাতক।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আলামত সংগ্রহ করার পাশাপাশি ভুক্তভোগী কিশোরীর প্রাথমিক সাক্ষগ্রহণ করে পুলিশ। এ ঘটনায় জাকারিয়াকে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ভুক্তভোগী ও তার স্বজনদের।

জানা গেছে, সোমবার রাত ৯টার দিকে চারটি দই নিয়ে ওই কিশোরী, তার ছোট বোন ও তাদের নানিকে খেতে দেন জাকারিয়া। দই খাওয়ার পরপরই একে একে সবাই অচেতন হয়ে পড়েন। এ সময় অচেতন কিশোরীকে ধর্ষণ করে জাকারিয়া পালিয়ে যান।

ভুক্তভোগী কিশোরী জানান, অচেতন হওয়ার আগে জাকারিয়াকে বিবস্ত্র অবস্থায় ঘরে দেখেন তিনি। এরপর আর কিছু মনে নেই তার। মঙ্গলবার সকালে প্রতিবেশীরা উদ্ধার করার পর সারা শরীরে ব্যথা অনুভব হয়।

এদিকে, ধর্ষণের উদ্দেশ্যেই কিশোরীর ছোট বোন ও তার নানিকে অজ্ঞান করা হয়েছিল বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। জড়িতদের কঠোর শাস্তি চান তারা।

কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক ও ধর্ষণ প্রতিরোধ টিমের প্রধান মুশফিকুর রহমান বলেন, আমরা ভুক্তভোগী কিশোরীর পরনের পোশাক নিয়ে যাচ্ছি। ধর্ষণ সংক্রান্ত বিষয় আছে কিনা তা পরীক্ষার মাধ্যমে দেখা হবে।

স্থানীয়রা জানায়, মা মারা যাওয়ার পর বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করে ঢাকায় চলে যান। পরে দুই বোনের আশ্রয় হয় নানির কাছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর