যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন নিয়ে পরস্পরকে দোষারোপ করছে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া

ঢাকা, বুধবার   ২৮ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১৩ ১৪২৭,   ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন নিয়ে পরস্পরকে দোষারোপ করছে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৪৭ ১৮ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ১৮:৪৮ ১৮ অক্টোবর ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বিতর্কিত নাগোর্নো-কারাবাখ এলাকায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার মাত্র চার মিনিটের মধ্যেই তা লঙ্ঘন করা হয়। যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের দায়ে পরস্পরকে দোষারোপ করছে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। স্থানীয় সময় শনিবার মধ্যরাতে ওই যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়েছিলো।

আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার মাত্র চার মিনিটের মাথায় আর্টিলারি শেল ও রকেট ছুড়ে তা লঙ্ঘন করে আজারবাইজান। পরে আজারবাইজান পাল্টা দোষারোপ করে বলে, আর্মেনিয়াই যুদ্ধবিরতির চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। যুদ্ধবিরতির দুই মিনিট পরেই আর্মেনিয়া এই চুক্তি ভেঙে দিয়েছে বলে দোষারোপ করে দেশটি।

গত শনিবার রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া এই যুদ্ধবিরতিতে স্বাক্ষর করেছিলো। গত সপ্তাহান্তে কয়েকটি চুক্তিতে সম্মত হওয়াতে এই যুদ্ধবিরতি চুক্তিটিও স্বাক্ষরিত হয়েছিলো। তবে এরপরেও সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।

নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে গত চার দশক ধরে এই দুই দেশ দ্বন্দ্বে লিপ্ত। নাগোর্নো-কারাবাখ আজারবাইজানের বলেই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। কিন্তু এটি নিয়ন্ত্রণ করে জাতিগত আর্মেনিয়ানরা। গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে আবারো যুদ্ধে জাড়িয়ে পড়ে প্রতিবেশী দুই দেশ আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান। গত কয়েক দশকের মধ্যে নাগোর্নো-কারাবাখকে নিয়ে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত এটি। এই যুদ্ধে উভয় পক্ষেরই শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন। ১৯৯৪ সালে একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে ছয় বছরের সংঘাতের অবসান হওয়ার পর এটি সবচেয়ে ভয়াবহ নৃশংসতা।

সাম্প্রতিক চুক্তি অনুযায়ী দুই দেশই মানবিক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

আজারবাইজানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্টদের দেয়া বিবৃতির ওপর ভিত্তি করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নাগোর্নো-কারাবাখ সংঘাতে মধ্যস্থতা করার জন্য ওই তিন দেশের নেতৃত্বে ১৯৯২ সালে ওএসসিই মিনস্ক গ্রুপ নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলা হয়।

আর্মেনিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আন্না নাঘদালিয়ান এক টুইট বার্তায় এই একই বিবৃতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশটি যুদ্ধাঞ্চলে যুদ্ধবিরতি ও উত্তেজনা প্রশমনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।

সূত্র- বিবিসি

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএমএফ