স্তন ক্যান্সারের এসব মারাত্মক লক্ষণ সামান্য বলে ভুল নয়

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৯ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১৪ ১৪২৭,   ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

স্তন ক্যান্সারের এসব মারাত্মক লক্ষণ সামান্য বলে ভুল নয়

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:৪৩ ১৮ অক্টোবর ২০২০  

ছবি: প্রতীকী

ছবি: প্রতীকী

বর্তমান বিশ্বে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত নারীর সংখ্যা দিনকে দিন বাড়ছে। স্তন ক্যান্সারে প্রতি ৮ জন নারীর মধ্যে একজন আক্রান্ত হতে পারে। আক্রান্ত প্রতি ৩৬ জন নারীর মধ্যে মৃত্যুর সম্ভাবনা একজনের। 

আমাদের দেশে ক্যান্সারে যত নারীর মৃত্যু হয়, তার অন্যতম কারণও স্তন ক্যান্সার। স্তন ক্যান্সারের সব কারণ আজও কিন্তু জানা সম্ভব হয়নি। তবে বেশ কিছু রিস্ক ফ্যাক্টর জানা সম্ভব হয়েছে। স্থূলতা তার মধ্যে অন্যতম।

একটু সচেতন হলেই স্তন ক্যান্সার প্রথম দিকে ডায়াগনোসিস করা সম্ভব। তাতে সমস্যা অনেক কমে যায়। রোগীর পরিণতিও ভালো হয়। 

এ বিষয়ে রাজধানীর ডেলটা মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক (অবস-গাইনি) ডা. নুসরাত জাহান বেশ কিছু লক্ষণের পরামর্শ দিয়েছেন। নিচে সেগুলো তুলে ধরা হলো-

স্তন ক্যান্সারের বিভিন্ন উপসর্গ

> স্তনের আকার বা আকৃতিতে পরিবর্তন।

> স্তনে পিণ্ডের ন্যায় মনে হওয়া।

> স্তন থেকে তরল পদার্থের নিঃসরণ।

> নিপল ভেতরে দেবে যাওয়া।

ব্রেস্টে চাকার একটি কারণ হচ্ছে ক্যান্সার। অন্যান্য চাকার সঙ্গে এর পার্থক্য হলো এটি সহজে নড়াচড়া করানো যায় না। উপরিভাগ অমসৃণ ও সাধারণত ব্যথাহীন হয়ে থাকে।

ঘরে বসেই স্তন পরীক্ষা করবেন যেভাবে

সেলফ এক্সামিনেশন এর মাধ্যমে নিজেই নিজের স্তন পরীক্ষা করে দেখা যায়। প্রতি মাসে পিরিয়ডের পর ঘরে বসেই আপনি এ পরীক্ষা করতে পারেন।

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

যেকোনো চাকা অনুভব হলে অবশ্যই ডাক্তারি পরীক্ষার মাধ্যমে এর ধরণ নির্ণয় করতে হবে, বিশেষ করে চাকাটি যদি পিরিয়ড হওয়ার পরও মিলিয়ে না যায়, আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে অথবা ব্যথা থাকে।

ব্রেস্টের চামড়ায় কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করলে যেমন- কুঁচকানো ভাব, লোমকূপের ছিদ্র বড় হয়ে যাওয়া অথবা রঙের কোনো পরিবর্তন। নিপল ভিতরের দিকে ঢুকে গেলে অথবা এর থেকে কোনো অস্বাভাবিক ডিসচার্জ বা রস বের হলে।

কী কী পরীক্ষার দরকার হতে পারে?

চাকার কারণ নির্ণয়ের জন্য কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার দরকার হয় যেমন- আল্ট্রাসনোগ্রাম, এফ এন এ সি, বায়োপসি, ম্যামোগ্রাফি ইত্যাদি।

ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায় 

যাদের ফ্যামিলিতে ব্রেস্ট ক্যান্সারের রোগী আছেন তাদেরকে এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। এছাড়া সঠিক খাদ্যাভ্যাস, ওজন নিয়ন্ত্রণ, হরমোনাল পিল ৩-৫ বছরের অধিক গ্রহণ না করা এবং শিশুকে সঠিকভাবে বুকের দুধ পান করালে ব্রেস্ট ক্যান্সারের প্রতিরোধোক হিসেবে কাজ করে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস